Apan Desh | আপন দেশ

নদী ভাঙ্গন

ভাঙনপ্রবণ কামারজানী পরিদর্শন করলেন ইউএনও

ভাঙনপ্রবণ কামারজানী পরিদর্শন করলেন ইউএনও

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বন্যা ও নদীভাঙনপ্রবণ কামারজানী ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি কামারজানী ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সামাজিক উন্নয়ন পদক্ষেপ (এসইউপি), কামারজানী মার্চেন্টস উচ্চ বিদ্যালয়, সামাজিক উন্নয়ন পদক্ষেপ কলেজ, বিদ্যালয়ের মাঠ, টিআর কর্মসূচির আওতায় মসজিদ উন্নয়ন এবং ঈদগাহ মাঠের চলমান কাজ পরিদর্শন করেন।

০৯:০২ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০২৬ বুধবার

মেঘনার ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ প্রকল্পে অনিয়ম, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মেঘনার ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ প্রকল্পে অনিয়ম, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের সেলিম বাজার ও কালাদুর এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) দুপুরে নদীর তীরে আয়োজিত মানববন্ধনে হাজারো মানুষ অংশ নেন। তারা অভিযোগ করেন, বরাদ্দ দেয়া হলেও দীর্ঘদিন কাজ শুরু হয়নি। পরে যথাযথ নকশা অনুসরণ না করে জিও ব্যাগ ফেলার চেষ্টা করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

০৭:৪৬ পিএম, ৬ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার

যমুনায় ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

যমুনায় ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে যৌবন ফিরে পেয়েছে যমুনা নদী। যমুনার উত্তাল ঢেউ তীরবর্তী মানুষগুলোর আতঙ্ক বাড়িয়ে দিচ্ছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে টানা বর্ষণের কারণে যমুনার পানি দ্রুতগতিতে বাড়তে শুরু করে। মাঝখানে সামান্য কমে আবারও বাড়তে শুরু করে। এখন পর্যন্ত বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে। এরই মধ্যে দুই দিন ধরে ফের কমতে শুরু করেছে যমুনার পানি। আর যমুনার পানি হ্রাস-বৃদ্ধির দোলাচলে চরাঞ্চল ও পূর্ব তীরে শুরু হয়েছে ভাঙন। ফলে বর্ষাকাল শুরুর আগেই এসব অঞ্চলের মানুষের কাছে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে যমুনা।

০৭:৩৪ পিএম, ৬ জুন ২০২৬ শনিবার

‘রেগুলেটর না থাকায় নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না’

‘রেগুলেটর না থাকায় নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। নদীর দুই দিকেই ভাঙছে। ভবিষ্যতে একনেক কমিটিতে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প পাস হবে। এরপর মুছাপুর রেগুলেটর ও মুছাপুর ক্লোজারের কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিস্কাশন ব্যবস্থানর উন্নয়ন (অংশ-১) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন কর্মসূচিতে এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

০৮:২৫ পিএম, ১০ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement