ছবি: আপন দেশ
বর্ষার শুরুতেই ভয়াল রূপ ধারন করেছে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদী। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদী সংলগ্ন সুবর্ণতলী গ্রাম ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী এলাকা তীব্র নদী ভাঙনের শুরু হয়েছে। এতে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর করাল গ্রাসে নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর, কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলী, ভূঞাপুর উপজেলার নলিন বাজার, অর্জুনা, গাবসারা এবং কালিহাতীর দশকিয়া এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ঘরবাড়ি ও জমি হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা।
ভাঙন রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিওব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙনের তীব্রতা বিশাল আকার ধারণ করেছে।
আরও পড়ুন<<>>পঞ্চগড়ে সাবেক এমপির স্ত্রী কাজী মৌসুমী কারাগারে
ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার ছিলিমপুর, চরপৌলী, নলিন বাজারসহ জেলার বেশ কিছু পয়েন্টে নদীভাঙন রোধে কাজ চলমান রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
নদীপাড়ের মানুষের দাবি পূরণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে চলতি বর্ষায় শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, কৃষকদল নেতা স্বপন মাহমুদ, বিএনপি নেতা মামুন, ছিলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাদিম মাহমুদ প্রমুখ।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































