Apan Desh | আপন দেশ

বেইলি রোড ট্রাজেডি: ৪৬ লাশের দায় কাফনে, গণপূর্তের প্রধান দণ্ডপ্রাপ্ত খালেকুজ্জামান

বিশেষ প্রতিবেদক, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ১৩:১০, ২ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ১৩:৩২, ২ আগস্ট ২০২৬

বেইলি রোড ট্রাজেডি: ৪৬ লাশের দায় কাফনে, গণপূর্তের প্রধান দণ্ডপ্রাপ্ত খালেকুজ্জামান

প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী।

রাজধানীর বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ প্রাণ ঝরে যাওয়ার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও প্রশ্নটি এখনো অমীমাংসিত- এ মৃত্যুর দায় কার? আগুনের লেলিহান শিখা নিভেছে, ধ্বংসস্তূপ সরেছে, স্বজনদের কান্না হয়তো কিছুটা স্তিমিত হয়েছে; কিন্তু দায় নির্ধারণের প্রশ্নটি এখনো জ্বলছে।

আলোচিত এ ট্র্যাজেডির তদন্তে ২২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। কিন্তু ভবনটির নকশা অনুমোদনের সঙ্গে যুক্ত তৎকালীন রাজউক কর্মকর্তা প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নাম সেখানে না থাকায় নিহতদের স্বজন ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে গভীর প্রশ্ন।

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর ১৬৮ বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ ভবনে থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্টুরেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তেই আগুন ও বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে ভবনের বিভিন্ন তলায়। আতঙ্কিত মানুষ বের হওয়ার পথ খুঁজতে থাকেন। কিন্তু সংকীর্ণ সিঁড়ি, বিকল্প জরুরি বহির্গমনের অভাব, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়া সিঁড়িপথ। অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তাদের অনেককেই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মরদেহের সংখ্যা। শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারান ৪৬ জন। আহত ও দগ্ধ হন আরও অন্তত ১৩ জন।

ভয়াবহ সে রাতের স্মৃতি এখনো তাড়া করে বেড়ায় বেঁচে যাওয়া মানুষ ও নিহতদের স্বজনদের। কারও সন্তান নেই, কারও মা-বাবা নেই, কেউ হারিয়েছেন স্বামী-স্ত্রী, আবার কেউ একসঙ্গে হারিয়েছেন পরিবারের একাধিক সদস্যকে। একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু সে রাতের নির্মমতার মাত্রাকে আরও স্পষ্ট করে। অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিরুল ইসলাম নাসিরের মেয়ে লামিশা ইসলাম মাহিও নিহত হন ওই ঘটনায়।

দুই বছর পরও প্রশ্ন- কার দায় কতটা?

অগ্নিকাণ্ডের পর ভবনটির নকশা, ব্যবহার, অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা এবং তদারকি নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসে। বহুতল ভবনটিতে কার্যত একটি প্রধান সিঁড়ির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। আগুনের ধোঁয়ায় সে সিঁড়িপথ অচল হয়ে পড়ার পর আটকা পড়েন অনেকে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত বের হওয়ার জন্য বিকল্প ও নিরাপদ বহির্গমন পথ থাকা কতটা জরুরি- বেইলি রোডের মর্মান্তিক ঘটনা তার রক্তাক্ত উদাহরণ হয়ে আছে।

স্থাপত্য ও অগ্নিনিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় উঠে এসেছে আরও ভয়াবহ কিছু বিষয়। ভবনের বিভিন্ন তলায় রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হলেও আগুন ও ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত কম্পার্টমেন্টেশন ছিল না বলে অভিযোগ রয়েছে। যথাযথ ভেন্টিলেশন ও ধোঁয়া নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। স্প্রিংকলার, কার্যকর ফায়ার অ্যালার্ম, ফায়ার ডোরসহ আধুনিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যাপ্ততা ও কার্যকারিতা নিয়েও রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।

আরও পড়ুন<> ‘কালো টাকা’র কাজী ইমদাদ হচ্ছেন দুদক চেয়ারম্যান?

সবচেয়ে বড় অভিযোগ, ভবনটির অনুমোদিত ব্যবহার ও বাস্তব ব্যবহারের মধ্যে ছিল বিস্তর ফারাক। আবাসিক বা মিশ্র ব্যবহারের অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও ভবনটির বিভিন্ন তলায় একের পর এক রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভবনের অগ্নিঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি কতটা কার্যকর ছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।

স্থপতি ইকবাল হাবীবের মতে, বেইলি রোডের ঘটনাটি দেশের অন্যতম নির্মম অগ্নিকাণ্ডের উদাহরণ। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ভবনের মালিক, ব্যবহারকারী, নির্মাণকারী, নকশা প্রণয়নকারী এবং নকশা অনুমোদনকারী- সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের ভূমিকা সুষ্ঠু তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন। রাজউকের যথাযথ তদারকি থাকলে বেইলি রোডের মতো অনেক দুর্ঘটনাই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল বলেও তিনি মনে করেন।

নকশা অনুমোদনকারী কোথায়?

এ জায়গাতেই সামনে আসে প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নাম। রাজউক সূত্রের দাবি, গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় ২০১১ সালে প্রেষণে রাজউকের অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পান খালেকুজ্জামান চৌধুরী। সে সময় বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ ভবনের নকশা অনুমোদনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। ভবনটির নির্মাণকাজের সময়ই নকশাগত বিভিন্ন ত্রুটি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে রাজউক-সংশ্লিষ্টদের দাবি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সে আলোচনা চাপা পড়ে যায়। এরপর ভবনটি নানা বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে থাকে। একপর্যায়ে সেখানে একাধিক রেস্টুরেন্ট চালু হয়। প্রশ্ন হচ্ছে- নকশা অনুমোদনের সময় যেসব বিষয় যাচাই করার কথা ছিল, সেগুলো কি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল? অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবনটি নির্মিত ও পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা কি নিয়মিত তদারকি করা হয়েছিল? এ প্রশ্নগুলোর উত্তরই এখন নিহতদের স্বজনদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সিআইডির অভিযোগপত্রে নাম নেই

বেইলি রোডের আগুনে প্রাণহানির ঘটনায় তদন্ত শুরু করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দীর্ঘ দুই বছরের বেশি মসয় নিয়ে তদন্তকাজ শেষ করে। গত ২ এপ্রিল ভবন মালিকপক্ষের প্রতিষ্ঠান আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রমজানুল হক নিহাদসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। এ তথ্য আদালত সূত্রের। কিন্তু অভিযোগপত্রে নকশা অনুমোদনের সঙ্গে যুক্ত তৎকালীন রাজউক কর্মকর্তা খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নাম না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন নিহতদের স্বজনরা।

আরও পড়ুন<> দুদকের মামলার আসামি হয়েও আইএফআইসি ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মনসুর

নিহতদের স্বজন সুরাইয়া জামান ‘আপন দেশ’কে বলেন, নকশা প্রণয়ন ও অনুমোদন থেকে শুরু করে ভবন নির্মাণ এবং পরিচালনার সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন, তদন্তে তাদের সবার ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত ছিল। তার প্রশ্ন, সিআইডির তদন্তে যদি নকশা অনুমোদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা যথাযথভাবে বিবেচনায় না আসে, তাহলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তার বক্তব্যে ফুটে ওঠে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ- স্বজন হারানোর যন্ত্রণা যেমন আছে, তেমনি আছে বিচার না পাওয়ার আশঙ্কাও।

মৃত্যুর দায় কি শুধু রেস্টুরেন্ট মালিকের?

বেইলি রোডের ঘটনা কেবল একটি রেস্টুরেন্টে আগুন লাগার ঘটনা ছিল না- এমনটাই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এটি ছিল ভবনের নকশা, অনুমোদন, ব্যবহার, অগ্নিনিরাপত্তা, তদারকি এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার সম্মিলিত ব্যর্থতার সম্ভাব্য ফল। একটি ভবনে রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হবে কি না, তা অনুমোদনের সময় বিবেচনায় নেয়া হয়েছিল কি না; আগুন লাগলে মানুষ কোন পথে বের হবে; জরুরি বহির্গমন কোথায়; সিঁড়ি পর্যাপ্ত কি না; ধোঁয়া দ্রুত বের করার ব্যবস্থা আছে কি না- এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর নকশা অনুমোদন ও ব্যবহার অনুমোদনের পর্যায়েই থাকার কথা। অথচ বেইলি রোডের সে রাত দেখিয়েছে, কাগজে-কলমে অনুমোদন আর বাস্তব নিরাপত্তার মধ্যে কতটা ভয়াবহ দূরত্ব থাকতে পারে।

আরও পড়ুন<> বিশেষ প্রতিবেদন ১৩ হাজার কোটি টাকা চুরি করেও রেলে আফজালের ডিজিগিরি!

যদি ভবনের নকশায় ত্রুটি থেকে থাকে, যদি অনুমোদিত ব্যবহারবিধি লঙ্ঘন করে রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হয়ে থাকে, যদি অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর না থাকে এবং যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব জেনেও কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে থাকে- তাহলে দায়ের পরিধি শুধু রেস্টুরেন্ট মালিকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

দণ্ডপ্রাপ্ত খালেকুজ্জামান, তবু গুরুত্বপূর্ণ পদে

খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে ঘিরে রয়েছে তার চাকরিজীবনের আরও একটি বিতর্কিত অধ্যায়। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, তিনি গণপূর্ত ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। চাকরিজীবনের বড় একটি সময় অস্ট্রেলিয়ায় কাটিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

উচ্চতর শিক্ষাছুটির ক্ষেত্রে ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহারের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়। তাকে লঘুদণ্ড দেয়া হয়। এক বছরের জন্য বেতন স্কেল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল বলে সূত্রটির দাবি।

একই পরিবারের ৫জন পুড়ে ছাই (বায়ে) । মৃত্যু নিশ্চিত হতে হাসপাতালে মরদেহের সারি (ডানে)।

পরবর্তী সময়ে নিজ জেলা ফরিদপুরের প্রভাবশালী সাবেক দুদক কমিশনার মোজ্জাম্মেল হক খানের মাধ্যমে তিনি তদবির করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে গোপালগঞ্জের বাসিন্দা ও পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সাবেক পূর্তসচিব শহীদ উল্লা খন্দকারের সময়ে একটি আবেদন করেন তিনি। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তার শাস্তির বিষয়ে জ্যেষ্ঠতা স্থগিত রাখার সুপারিশ করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক প্রভাব ও তদবিরের ভূমিকা নিয়ে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই প্রয়োজন।

পদোন্নতির প্রশ্নও সামনে

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ২৮ অক্টোবর খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে চলতি দায়িত্বে গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেয়া হয়। এ নিযোগেও দুই সংখ্যায় কোটির অঙ্কে ঘুষের রফাদফা হয়েছে তৎকালীন উপদেষ্টার সঙ্গে। এমন তথ্য গণপূর্তের টপ টু বটমের মুখেমুখে।

একদিকে তার বিরুদ্ধে অতীতে বিভাগীয় শাস্তির তথ্য, অন্যদিকে বেইলি রোডের ভবনের নকশা অনুমোদনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ- দুই বিষয় পাশাপাশি রেখে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। ৪৬টি প্রাণ ঝরে যাওয়ার পরও যদি নকশা অনুমোদনের পর্যায়ে কারও ভূমিকা তদন্তের আওতায় না আসে, তাহলে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে- এমন আশঙ্কা নিহতদের স্বজনদের।

স্বজনদের অপেক্ষা শেষ হবে কবে?

বেইলি রোডের সেই রাতের পর দুই বছর পেরিয়েছে। ৪৬টি কবর এখনো সাক্ষী হয়ে আছে সে ভয়াবহতার। ১৩ জন দগ্ধ ও আহত মানুষ এখনো সে রাতের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ভূমিকা বাদ পড়ে যায়, তাহলে নিহতদের স্বজনদের ক্ষোভ আরও বাড়বে- এটাই স্বাভাবিক।

তাদের দাবি, কারও পদ-পদবি, রাজনৈতিক যোগাযোগ, প্রশাসনিক প্রভাব কিংবা অর্থনৈতিক সামর্থ্য যেন তদন্তের পথে বাধা না হয়। কে নকশা করেছেন, কে অনুমোদন দিয়েছেন, কে ভবন নির্মাণের অনুমতি দিয়েছেন, কে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করেছেন, কে অগ্নিনিরাপত্তা যাচাই করেছেন এবং কার অবহেলায় ঝুঁকিপূর্ণ একটি ভবন বছরের পর বছর চলেছে- প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর বের করতে হবে। কারণ বেইলি রোডের ৪৬টি মৃত্যু কেবল একটি অগ্নিকাণ্ডের পরিসংখ্যান নয়। প্রতিটি সংখ্যা একটি পরিবার, একটি অসমাপ্ত জীবন, একটি অপূরণীয় শূন্যতা। আর সে শূন্যতার সামনে এখন সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন- আগুনের জন্য যারা দায়ী, তাদের সবাই কি সত্যিই আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত বেইলি রোডের আগুন নিভবে না। নিভবে না স্বজনদের বুকের আগুনও।

খালেকুজ্জামানের বক্তব্য

উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর বক্তব্য জানতে গেলে তিনি এসব বিষয়ে এড়িয়ে যান। ভ্ন্ িপ্রসঙ্গ টেনে তিনি আপন দেশ’কে বলেন, দেখুন আমি পেছনের সব ফেলে জাতির জন্য কাজ করতে চাই। আমাকে সহযোগিতা করুন...।

আপন দেশ/এবি

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়