ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী শরিয়তে শবে কদর হলো সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ রাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ রাত ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে কাটান। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, এ রাতে ইবাদত করা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় কদরের রাতে ইবাদত করবে, তার পূর্বের সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে।
শবে কদরে করণীয়
১. সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি নেয়া।
২. মাগরিবের নামাজের পর নফল নামাজ আদায় করা।
৩. পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা।
৪. বেশি বেশি জিকির ও আজকার করা।
৫. বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা।
৬. বিগত গুনাহের জন্য কান্নাকাটি করা ও ক্ষমা চাওয়া।
৭. কোনো মানুষকে কষ্ট দিয়ে থাকলে তার কাছে ক্ষমা চাওয়া।
৮. বেশি বেশি দান-সদকা করা।
৯. মা-বাবা এবং মুরব্বিদের কবর জেয়ারত করা।
১০. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে ভালো কাজ করা।
১১. মানুষের প্রতি সুন্দর ও উত্তম আচরণ করা।
আরও পড়ুন <<>> আজ পবিত্র শবে কদর
শবে কদরে বর্জনীয়
১. অবহেলায় রাতটি কাটানো।
২. শুধুমাত্র ঘুমিয়ে রাত পার করা।
৩. আলসেমি করে ইবাদতহীন বসে থাকা।
৪. মানুষের প্রতি হিংসা বা বিদ্বেষ রাখা।
৫. আতশবাজি ফোটানো।
৬. গোল্লা ফোটানো।
৭. দলবেঁধে আড্ডা দেয়া।
৮. চিৎকার-চেঁচামেচি ও হৈ-হুল্লোড় করা।
৯. যাবতীয় গুনাহের কাজ করা।
শবে কদরের রাতে ইবাদত ও সৎকর্মে মনোযোগী হওয়া, ত্যাগ ও সদাচারী আচরণ মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ নয়, বরং পূর্বের গুনাহ মাফ করার সুবর্ণ সুযোগও প্রদান করে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































