প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আপন দেশ
আমরা ‘এগ্রি টু ডিসএগ্রি’(ভিন্নমতে একমত) নীতিতে বিশ্বাস করি। যেসব বিষয়ে দ্বিমত আছে, সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদে সংসদীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বজায় রাখতে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের প্রস্তাব এখনো ‘ওপেন’ বা উন্মুক্ত রয়েছে। আমরা চাই ডেপুটি স্পিকার পদটি বিরোধী দল থেকে আসুক।
‘আমাদের এ সদিচ্ছা এখনো বহাল আছে।’
বিরোধী দলের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নির্বাচনের আগে বিরোধী দলীয় নেতার বাসায় গিয়ে সহযোগিতা চেয়েছি, এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামের বাসায়ও গিয়েছি।
আমি বিরোধী দলীয় নেতা ও উপনেতার এলাকার সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখার জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নির্দেশনা দিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাওয়া রোধে এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত যুগান্তকারী ‘খাল খনন কর্মসূচি’ আবারও দেশব্যাপী শুরু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন<<>>বিএনপি আমলে শেয়ারবাজারে লুটপাট হয়নি, হবেও না: অর্থমন্ত্রী
পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া সমস্যা সমাধানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন ঢাকা শহরে মাটির নিচ থেকে প্রচুর পানি তোলার ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মহাবিপদে পড়বে। এ সমস্যা সমাধানে খাল খনন শুরু করেছি আমরা। আজ খাল খনন শুরু করলে এর সুফল পেতে এবং পানির স্তর রিফিল হতে অন্তত ২০ বছর সময় লাগবে।
তিনি আরও বলেন, এ কর্মসূচি শুধু সেচের পানির জন্যই নয়, বরং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং জলাবদ্ধতা দূর করতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণে বোরো ফসলের ক্ষতি মোকাবিলায় মাঠ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জাতীয় সংসদকে জানান তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণে অনেক জায়গায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আমি আবহাওয়া পূর্বাভাস দেখেই স্থানীয় প্রশাসন ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু সাহেবকে নির্দেশনা দিয়েছি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। এ সরকার জনগণের সরকার, আমাদের প্রধান দায়িত্বই হলো জনগণের জানমালের দেখভাল করা।
কৃষকের জলাবদ্ধতা ও সেচ সমস্যা নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও সংসদকে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

























