Apan Desh | আপন দেশ

‘রাষ্ট্রপতি একটি প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানকে আমরা রক্ষা করেছি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২১:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ২১:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

‘রাষ্ট্রপতি একটি প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানকে আমরা রক্ষা করেছি’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। কোনো ব্যক্তি নয়, আমরা আমাদের প্রয়োজনে সে প্রতিষ্ঠানকেই রক্ষা করেছি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, আমরা সংবিধানকে ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করেছি।

‘হ্যাঁ’ আমরা করেছি, কারণ এ সংবিধান আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এ সংবিধান আমাদের আবেগের সঙ্গে জড়িত, এ সংবিধান ১৯৭১ সালের লাখ লাখ শহীদের রক্তে সঙ্গে জড়িত। এ সংবিধানের জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি, লড়াই করেছি। এটা একটা স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান।

মির্জা ফখরুল বলেন, সালাহউদ্দিন সাহেব (সালাহউদ্দিন আহমদ) অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন, যে আজকে রাষ্ট্রপতির ব্যাপারে আমরা কথা বলছি। রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, তিনি একটা ইনস্টিটিউশন। কোনো ব্যক্তি নয়, সে প্রতিষ্ঠানকেই আমরা রক্ষা করেছি, আমাদের প্রয়োজনে। কারণ ৫ আগস্টের পরে যদি রাষ্ট্রপতি না থাকতেন, তাহলে এ রাষ্ট্রে একটা অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতো।

সে সময়ে আমরা আমাদের দেশ ও জাতিকে আমরা রক্ষা করতে পারতাম কি না সেটা সন্দেহ আছে।  

আরও পড়ুন<<>>আমরা ভিন্নমতে একমত নীতিতে বিশ্বাস করি: প্রধানমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, আজকে এখানে অনেকগুলো প্রশ্ন এসেছে, আমি সে কথাগুলোর কিছুটা উত্তর দিতে চাই। বিশেষ করে আমার নাম যেখানে এসেছে, আপনিও (স্পিকার) তার একজন সাক্ষী যে দীর্ঘ ১৫ বছর আমরা ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি। এ ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেশির ভাগ সময় কারাগারে ছিলেন। আমাদের নেতা তারেক রহমনাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে নির্বাসন অবস্থায় তাকে বিদেশে থাকতে হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে। আমাদের ২০ হাজারের মতো নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের ইলিয়াস আলী, পারভেজ হিরুসহ প্রায় ১৭শ নেতাকর্মীকে গুম করে দেয়া হয়েছে। আমাদের সেই তপু, ছোট্ট মেয়েটা যখন মায়ের ডাকে এসে দাঁড়ায় এবং বলে আমি আমার বাবার সঙ্গে ঈদ করতে চাই, তখন আমরা কেউই চোখের পানি আটকে রাখতে পারি না।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়