Apan Desh | আপন দেশ

আত্মহত্যা করেছে সে নিজে নিজে: গাজী নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৯:০৪, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৯:৫৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আত্মহত্যা করেছে সে নিজে নিজে: গাজী নজরুল

ছবি : আপন দেশ

মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর টিকেটে এমপি হওয়া গাজী নজরুল ইসলাম।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শুনানি শেষে আদালতে তিনি এ দাবি করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। ঘটনার সময় আমি বাসায় ছিলাম না। সে নিজে নিজে আত্মহত্যা করেছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এদিন গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে একদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীত পাশের ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে নজরুল ও মাকসুদা ইসলামকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানা থেকে দুই আসামিকে আদালতে নেয়া হয়।

পাঁচটি কারণ দেখিয়ে দুইজনকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকার।

বেলা সোয়া ৩টার দিকে শুনানি শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শামসুজ্জোহা রিমান্ড আবেদনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মাহবুবুর রহমান রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আর্জি জানান।

উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত নজরুল ইসলামকে চার দিন এবং মাকছুদাকে একদিনের রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দেন।

বিচারক এজলাস ত্যাগ করার পর উপস্থিত সাংবাদিকরা কাঠগড়ায় দাঁড়ানো নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। বলেন, তিনি তখন বাসায় ছিলেন না।

মরিয়ম কেন আত্মহত্যা করেছেন জানতে চাইলে নজরুল বলেন, এ বিষয়ে আমি জানি না।

স্বাভাবিক নজরুল- উদ্বিগ্ন মাকছুদা

এজলাসে তোলার সময় গাজী নজরুল ও মাকসুদার হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট ও বুকে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ছিল। কাঠগড়ায় নেয়ার পর সেসব খুলে দেয়া হয়।

কাঠগড়ায় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে শুনানি শুনছিলেন তারা। এক পর্যায়ে দুই হাতের উপর মাথা রাখেন মাকসুদা বেগম। কিছুক্ষণ পরে মাথা উঁচু করে একটু পেছনের দিকে সরে যান।

তখন নজরুল স্ত্রীর কাছে জানতে চান, খারাপ লাগছে কি না। মাকসুদা বলেন, ‘না’। মাকসুদার হিজাব কিছুটা মাথার উপরে উঠে গেলে নজরুল তাকে হিজাব নিচে নামাতে বলেন। পরে হিজাব ঠিক করেন মাকসুদা।

শুনানিতে মাকসুদাকে কিছুটা উদ্বিগ্ন দেখা যায়। তবে নজরুল ছিলেন অনেকটাই স্বাভাবিক।

আপন দেশ/এবি

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়