Apan Desh | আপন দেশ

ঢাকায় গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ ডিটিসিএ’র

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৮:০৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৮:০৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ ডিটিসিএ’র

ছবি : সংগৃহীত, আপন দেশ

ঢাকা মহানগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন কার্যক্রমে জোর দিচ্ছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকার একটি রুটে কেবল একটি বাস কোম্পানিকেই পরিচালনার সুযোগ দেয়া হবে, যাতে বাসে বাসে অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করা যায়।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গুলশানের হোটেল রেনেসাঁতে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে? সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে ডিটিসিএ’র ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার ধ্রুব আলম এ কথা বলেন। নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ সেমিনারটির আয়োজন করে।

ধ্রুব আলম বলেন, ২০৪৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা (এসটিপি) হালনাগাদের কাজ চলছে। এছাড়াও আমরা তাৎক্ষণিকভাবে কিছু স্বল্পমেয়াদি সমাধান খুঁজছি, যার অন্যতম হলো বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন। 

আরও পড়ুন<<>>জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়লেও উৎপাদন কমেনি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকার অসংখ্য সচল ও অচল রুট কমিয়ে ৪২টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে ট্রান্সপোর্টেশন মডেলিংয়ের কাজ চলছে, যা শেষ হলে বোঝা যাবে ঢাকায় ঠিক কতগুলো বাস ও রুটের প্রয়োজন।

অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ হবে উল্লেখ করে বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশনের মূল লক্ষ্য সম্পর্কে ধ্রুব আলম বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো কোম্পানিভিত্তিক বাস পরিচালনা চালু করা। একটি রুটে একাধিক কোম্পানি থাকবে না। এতে চালকদের মধ্যে রাস্তায় আগে যাওয়ার বা যাত্রী ধরার প্রতিযোগিতা কমে আসবে।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রাথমিকভাবে ৩২টি রুট চূড়ান্ত করে ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হয়েছে। অনেকে এ পরিকল্পনাকে অসম্ভব মনে করলেও ঢাকাতেই এর সফল উদাহরণ রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে গুলশান এলাকায় বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন পদ্ধতি কার্যকরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে সেখানে একটি রুটে ঢাকার চাকা নামের একটিমাত্র কোম্পানি বাস পরিচালনা করছে। যাত্রীরা টিকিট কেটে বাসে ওঠেন এবং কোনো প্রতিযোগিতা নেই। এছাড়া হাতিরঝিলের চক্রাকার বাস সার্ভিসও একই মডেলে পরিচালিত হচ্ছে। এ সফল মডেলটি পুরো ঢাকা শহরে বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

ডিটিসিএ’র এ কর্মকর্তা আরও জানান, দুই শতাধিক বাস স্টপেজ ও যাত্রী ছাউনি চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে শতাধিক ইতোমধ্যে প্রস্তুত। এ বছরের মধ্যেই স্টাডি রিপোর্ট পাওয়া গেলে অন্তত কিছু রুটে নতুন এ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়