Apan Desh | আপন দেশ

৬ সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠিত হচ্ছে বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৯:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

৬ সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠিত হচ্ছে বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা

ফাইল ছবি, আপন দেশ

দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিডা, বেপজা ও বেজাসহ গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি সরকারি সংস্থাকে বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসব সংস্থাকে একীভূত করে গঠন করা হচ্ছে বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি নতুন দফতর।

বিলুপ্ত হতে যাওয়া সংস্থাগুলো হলো—বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।

রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৬ সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠন করা হচ্ছে বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা নামের নতুন দফতর; যেখানে থাকবে না কাগুজে নথির চল। চালু করা হবে ডি নথি।

প্রসঙ্গত, সহজ ব্যবসার সূচকের তালিকায় বরাবরই বাংলাদেশের অবস্থান পেছনের সারিতে। যেখানে এক দফতর থেকে কাগজপত্র নিয়ে অন্য দফতরে দৌড়াদৌড়ির জের নিয়ে অসন্তোষ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। ফলে, বহুবছর ধরে দেশে নেই কাঙিক্ষত বিনিয়োগ। যার প্রভাবে তৈরি হচ্ছে না প্রত্যাশিত নতুন কর্মসংস্থানও। 

আরও পড়ুন<<>>হোয়াইট হাউসে জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প

এমন অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে চায় নতুন সরকার। এজন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বিনিয়োগবিষয়ক সব সেবা একই ছাতার নিচে নিয়ে আসার। তথ্য বলছে, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগের ফাইল প্রসেসিংয়ে জড়িত ছয়টি দফতর। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন। এসব প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করে গঠন করে নতুন একটি দফতর গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান বিলুপ্তিকরণের যৌক্তিকতা, আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, জনবল স্থানান্তর, নতুন প্রতিষ্ঠানের অর্গানোগ্রাম তৈরির কাজ। গঠন করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি কমিটি। এছাড়া, কাগুজে ফাইলের চল বন্ধ করে সিদ্ধান্ত রয়েছে ডি-নথি পদ্ধতি চালুরও। সব খসড়া চূড়ান্ত করা হবে আগামী ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে। 

প্রস্তাবিত একীভূতকরণ বাস্তবায়ন হলে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হতে পারে। তবে এর আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা বিবেচনায় সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

আপন দেশ/এসআর
 

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়