ছবি : আপন দেশ
আগামী ১৪ মে দেশের হালনাগাদ করা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, যারা ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বরের পরে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এবং যাদের জন্ম ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে, তাদের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে এই হালনাগাদ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত যারা সফলভাবে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন, কেবল তাদের তথ্যই ১৪ মে প্রকাশিতব্য চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাবে বলে কমিশন থেকে জানানো হয়েছে।
ভোটার তালিকা হালনাগাদের পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ এপ্রিল প্রাথমিক খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর তালিকায় কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন কিংবা ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদনের জন্য ৩ মে পর্যন্ত সময় পাবেন নাগরিকরা।
এসব আবেদন নিষ্পত্তি করার জন্য ৬ মে পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সবশেষে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১৪ মে চূড়ান্ত তালিকা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। নির্বাচন কমিশনের এ পদক্ষেপটি আগামী জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইসির জনসংযোগ বিভাগ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খসড়া তালিকায় কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে বা কোনো তথ্যের পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে ভোটারদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে আবেদন করতে হবে।
আরও পড়ুন : হাম কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আসবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রতিটি আবেদন নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিষ্পত্তি করা হবে এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা নিশ্চিত করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় নতুন ভোটারদের যুক্ত করার পাশাপাশি মৃত ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়ার কাজও সম্পন্ন করা হবে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































