Apan Desh | আপন দেশ

স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা, মামলা করায় ভুক্তভোগীর ওপর হামলা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২২:০১, ১৮ জুলাই ২০২৬

স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা, মামলা করায় ভুক্তভোগীর ওপর হামলা

ছবি: আপন দেশ

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহাটির চেষ্টার প্রতিবাদ করায় ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর দফায় দফায় হামলা করছে সন্ত্রাসীরা। হামলায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 এছাড়াও নানাভাবে ওই পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। বর্তমানের ওই পরিবারের লোকজন বাড়ি ছাড়া রয়েছে। এছাড়াও ভয়ে নিজেদের কাজ করতে পারছে না। ফলে তারা অর্ধহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান টাঙ্গাইল সদরের মগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ।

লিখিত বক্তব্যে  তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চর-খিদির এলাকার ১৪ বছরের স্কুল ছাত্রী প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে একই এলাকার বখাটে মো. হাসান মিয়া তাকে জোরপূর্বক নিজ ঘরে নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।  এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর শনিবার (০৪ জুলাই) একটি সালিশ বৈঠক বসে। কিন্তু সালিশ চলাকালীন সময়ে আসামি মজিবুর রহমানের নির্দেশে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। 

আরও পড়ুন<<>>দাম্পত্য কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

হামলায় বাবুল হোসেনের ছেলে রাকিবের (১৬) মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। তার মাথা ফেটে যায়। এছাড়া নারীদের শ্লীলতাহানি ও নগদ টাকা লুট করা হয়। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল সদর থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করে ভুক্তভোগী পরিবার।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, থানায় মামলা করার পর থেকেই আসামিরা ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল। আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার মেয়ের বাবা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম টাঙ্গাইল শহরের সার্কিট হাউজের পশ্চিম পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন বক্তারা। সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামসহ তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, মামলার পর আসামিদের গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছিল। এ মামলার এক নম্বর আসামিকের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়