ইনসেটে ইশরাক হোসেন ও ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। ছবি: আপন দেশ
নিজ দলের নেতা, এমপি কিংবা মন্ত্রী- অভিযোগ ও বিতর্কের মুখে পড়লে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। এমন কঠোর বার্তাই দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দেয়ার খবর এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।
এবার আলোচনায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের দুই মন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ঘিরে বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের স্বজনকে ঘিরে সরকারি প্রকল্পের কাজ নিয়ে ওঠা অভিযোগ সরকারকে নতুন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।
পরপর কয়েকটি ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের এমপি, মন্ত্রী ও নেতাদের মধ্যে নতুন সতর্কতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই বার্তা পৌঁছেছে আমলাতন্ত্রেও। প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। সরকারি সেবার মান নিয়ে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেয়ার মধ্য দিয়ে প্রশাসনের প্রতি তার প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটছে।
মিষ্টি-ইশরাকের ঘটনায় কঠোরতার বার্তা
গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসে। বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। গত ০১ অক্টোবর তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এরপর ১৭ অক্টোবর রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইশরাকের দাবি, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় নিজের ও অন্যদের নিরাপত্তার জন্য তিনি অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। তবে একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজে অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেয়ার বৈধতা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ঢাকা মহানগর পুলিশও বিষয়টি তদন্তের কথা জানায়।
আরও পড়ুন<> দুদকের কয় বছরে হাইকোর্টের তিন মাস?
১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যম সরকারসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানায়। ১৯ অক্টোবর তার পদত্যাগের ঘোষণা ও স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার কথা সামনে এসেছে। এভাবে পরপর দুটি ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের খবর প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের আলোচনাকে আরও জোরালো করেছে।
এর আগে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে বসানোর ঘটনাও সরকারের দায়িত্ব বণ্টন ও নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনায় এসেছে। সব মিলিয়ে দল ও সরকারের ভেতরে একটি বার্তা স্পষ্ট হচ্ছে- গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা মানেই প্রধানমন্ত্রীর আস্থা অটুট থাকার নিশ্চয়তা নয়; দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা কিংবা বিতর্কের মুখে পড়লে রাজনৈতিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
৩৪২ কোটি টাকার প্রকল্পে স্বজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
স্বাস্থ্য খাতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের জন্য ৩৪২ কোটি টাকার ট্যাবলেট বা প্যাড কেনার কাজ নিয়ে। এমপি ও এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের ভাতিজার মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান কাজটি পেতে অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছে। তার অভিযোগ অনুযায়ী, নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি কাজটি বাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে।
অভিযোগটি সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, দরপত্রের প্রতিযোগিতা এবং ক্ষমতাবানদের স্বজনদের সম্ভাব্য ব্যবসায়িক সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- এমন তথ্য নেই। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, দরপত্রের শর্ত, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও চুক্তি প্রদানের নথি যাচাই করেই প্রকৃত চিত্র নির্ধারণ করতে হবে।
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি। তার ঘনিষ্ঠ নীতিনির্ধারণী মহল বা ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও জানা গেছে। তবে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন<> আয় দূরের কথা সুদ ব্যয় মেটানোই কঠিন হয়েছে ।। দেউলিয়ার পথে হাঁটছে ইফাদ গ্রুপ
এখানে সরকারের জন্য পরীক্ষা দ্বিমুখী। একদিকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা, অন্যদিকে রাজনৈতিক পরিচয় বা পারিবারিক সম্পর্কের কারণে কাউকে আগাম দায়ী কিংবা দায়মুক্ত না করা। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়াই হবে কঠোরতার বাস্তব প্রকাশ।
শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে বিতর্ক, প্রশ্নে দায়িত্বশীলতা
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ঘিরেও একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে তার স্ত্রী ও সাবেক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সোহেলের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষা খাতের দায়িত্বে থাকা একজন মন্ত্রীকে ঘিরে এমন অভিযোগ সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নকে সামনে এনেছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয় এইচএসসি পরীক্ষা পরিচালনা নিয়ে বিতর্ক। টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বলে মন্তব্য করতে শোনা যায় শিক্ষামন্ত্রীকে।
আরও পড়ুন<> ন্যাশনাল লাইফের তদন্তে দুদক: ২১শ’ অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেন, ৭১৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ-পাচার
ভিডিওতে এক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে কথোপকথনে মন্ত্রী বলেন, তিনি পরীক্ষা স্থগিতের পক্ষে ছিলেন; তবে বৈঠকে অন্যদের মতামত এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস বিবেচনায় পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ওই শিক্ষার্থী বৃষ্টিতে ভিজে অসুস্থ হওয়া এবং পরীক্ষার রুটিনে পর্যাপ্ত বিরতি না থাকার বিষয়েও অভিযোগ করে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা হয় এবং তার পদত্যাগের দাবিও ওঠে।
এ ঘটনায় দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে- দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল কি না এবং শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে দায়িত্বশীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল কি না। সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি থাকতে পারে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের উদ্বেগকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া এবং জনসমক্ষে সংবেদনশীল আচরণ করা একজন মন্ত্রীর দায়িত্বের অংশ।
আকস্মিক পরিদর্শনে প্রশাসনের জন্যও বার্তা
প্রধানমন্ত্রীর কঠোরতার আলোচনা শুধু দলীয় নেতা বা মন্ত্রীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রাজধানীর হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করে তিনি সরকারি সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা এবং দায়িত্ব পালনের বাস্তব চিত্র দেখতে চেয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া, সমস্যা সমাধানে সময় বেঁধে দেয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মধ্য দিয়ে প্রশাসনের প্রতি তার প্রত্যাশা স্পষ্ট হয়েছে। সকাল ৯টায় অফিস। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হাজির থাকেন আরও ১০/১৫ মিনিট আগেই। মিতব্যায়ী হবার ধরন যা যা হতে পারে তা তিনি পালন করছেন। জনদুর্ভোগ লাগবে চলাচল করেন স্বাভাবিক যাত্রীর মতোই।
প্রশাসনের ক্ষেত্রে এ ধরনের পরিদর্শনের তাৎপর্য হলো, দাফতরিক প্রতিবেদন বা আনুষ্ঠানিক আশ্বাসের বাইরে গিয়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা যাচাই করা। কোনো প্রতিষ্ঠানে সেবার ঘাটতি থাকলে তার দায় কার, সমস্যা সমাধানে কত সময় লাগবে এবং নির্দেশনা বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না- এসব প্রশ্নের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হয়।
আমলাদের কাছে বার্তাটি তাই গুরুত্বপূর্ণ: পদমর্যাদা কিংবা ফাইলের অগ্রগতি দিয়ে দায়িত্ব পালনের মূল্যায়ন শেষ হবে না; নাগরিকেরা বাস্তবে কী সেবা পাচ্ছেন, সেটিও বিবেচনায় আসবে। তবে আকস্মিক পরিদর্শনকে কার্যকর করতে হলে পরবর্তী সময়ে ঘাটতি সংশোধন, নিয়মিত তদারকি এবং ফলাফল মূল্যায়নের ব্যবস্থাও থাকতে হবে।
মন্ত্রিসভায় কঠিন পরীক্ষা
মিষ্টির পদত্যাগ, ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেয়ার খবর এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত ঘিরে ওঠা অভিযোগ- সব মিলিয়ে সরকারের সামনে এখন ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রশ্ন। কয়েকটি ঘটনায় দ্রুত রাজনৈতিক পদক্ষেপের খবর সামনে এলেও প্রতিটি নতুন অভিযোগে একই নীতি অনুসরণ করা হলে সেটিই নির্ধারণ করবে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানের বিশ্বাসযোগ্যতা।
কোনো অভিযোগকে শুধু রাজনৈতিক বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য পদত্যাগের মাধ্যমে শেষ করে দিলে মূল প্রশ্নের নিষ্পত্তি হয় না। রাজনৈতিক জবাবদিহি এবং আইনি দায় নির্ধারণ আলাদা বিষয়। পদত্যাগ প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হতে পারে; কিন্তু অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে যথাযথ তদন্ত, প্রমাণ এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়া প্রয়োজন।
কঠোরতার বার্তা, এখন বাস্তবায়নের পালা
রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় যাওয়ার আগে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের প্রতিশ্রুতি দেয়। সে প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই হয় নিজেদের দলের নেতা, এমপি কিংবা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে।
তারেক রহমানের সরকারের সামনে এখন সে পরীক্ষাই বড় হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন প্রশাসনের জন্য দায়িত্বশীলতার বার্তা দিয়েছে; মিষ্টি ও ইশরাকের ঘটনাকে ঘিরে পদত্যাগের খবর দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্ন সামনে এনেছে। এবার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের অভিযোগের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছ ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ প্রত্যাশিত।
আরও পড়ুন<> আত্মস্বীকৃত চোর প্রকৌশলী আজাদের হাতে সওজের রিমোট
জাহাজের কান্ডারির বার্তা যারা বুঝতে পারেননি, তাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে দায়িত্ব হারিয়েছেন বা রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন- এমন ব্যাখ্যা রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে। আর যারা এখনো পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করছেন, তাদের জন্যও সামনে কঠিন পরীক্ষা। তবে কারও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগাম সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর বদলে সরকারের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ ও তদন্তের ফলের দিকে নজর রাখা জরুরি।
শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা শুধু দুই মন্ত্রীর নয়, পুরো সরকারের। ক্ষমতাসীন দলের পরিচয় কাউকে অভিযোগের ঊর্ধ্বে রাখবেন না- এ নীতি যদি নিরপেক্ষ তদন্ত, স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত এবং আইনের সমান প্রয়োগে প্রতিফলিত হয়, তবেই তারেক রহমানের কঠোরতার বার্তা বাস্তব অর্থ পাবে।
আপন দেশ/এবি
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































