Apan Desh | আপন দেশ

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের স্থান সংরক্ষিত: রিজভী আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ১৪:০০, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৪:১৪, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের স্থান সংরক্ষিত: রিজভী আহমেদ

ছবি: আপন দেশ

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের জন্য নিজস্ব স্থান সংরক্ষিত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এমন একটি বাগান, যেখানে বিভিন্ন রঙের ও জাতের ফুল একসঙ্গে ফোটে এবং প্রতিটি সম্প্রদায়ের জন্য নিজস্ব স্থান সংরক্ষিত রয়েছে।

রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির বার্তা দেয়। উৎসব কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় বা সামাজিক গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর সর্বজনীন আহবান সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে একসঙ্গে বসবাসের অনুপ্রেরণা জোগায়। অসত্য ও অশুভ শক্তির বিনাশ করে সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই দুর্গাপূজার মূল মর্মবাণী।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস যার যার ব্যক্তিগত বিষয় হলেও রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান। প্রত্যেকে যাতে নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

আরও পড়ুৃন<<>>সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধী দল সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপূজার ছুটি বৃদ্ধি, পূজামণ্ডপে বরাদ্দ বাড়ানো এবং পুরোহিত ও সেবায়েতদের সম্মানী দেয়ার বিষয়টি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শত শত বছর ধরে এ দেশের মানুষ একই ভাষা ও লোকজ সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে মিলেমিশে বসবাস করছে। দেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বিনষ্ট করতে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে ধর্মপ্রাণ ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ তা কখনো সফল হতে দেবে না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুর রহমান, ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

আপন দেশ/জেডআই

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের স্থান সংরক্ষিত: রিজভী আহমেদ নিজস্ব প্রতিবেদক বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের জন্য নিজস্ব স্থান সংরক্ষিত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এমন একটি বাগান, যেখানে বিভিন্ন রঙের ও জাতের ফুল একসঙ্গে ফোটে এবং প্রতিটি সম্প্রদায়ের জন্য নিজস্ব স্থান সংরক্ষিত রয়েছে। রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির বার্তা দেয়। উৎসব কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় বা সামাজিক গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর সর্বজনীন আহবান সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে একসঙ্গে বসবাসের অনুপ্রেরণা জোগায়। অসত্য ও অশুভ শক্তির বিনাশ করে সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই দুর্গাপূজার মূল মর্মবাণী। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস যার যার ব্যক্তিগত বিষয় হলেও রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান। প্রত্যেকে যাতে নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপূজার ছুটি বৃদ্ধি, পূজামণ্ডপে বরাদ্দ বাড়ানো এবং পুরোহিত ও সেবায়েতদের সম্মানী দেয়ার বিষয়টি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শত শত বছর ধরে এ দেশের মানুষ একই ভাষা ও লোকজ সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে মিলেমিশে বসবাস করছে। দেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বিনষ্ট করতে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে ধর্মপ্রাণ ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ তা কখনো সফল হতে দেবে না। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুর রহমান, ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা। আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়