ছবি: আপন দেশ
পরীক্ষাসহ সব দিক বিবেচনায় নিয়ে আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আশা করছে নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন ও উপনির্বাচনসহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষা ও বার্ষিক পরীক্ষার সময় ভোটগ্রহণ এড়ানোর বিষয়ে কমিশন গভীরভাবে চিন্তা করছে।
যেহেতু বছরের শেষ মাসগুলোতে অর্থাৎ নভেম্বর ও ডিসেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা থাকে, তাই সেই সময় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।
সবদিক বিবেচনা করে আগামী জানুয়ারি মাস থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে বলে কমিশন আশা প্রকাশ করছে।
ভোটের তারিখ পেছানোর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, এর আগে একটি সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় যে দেশের প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই একই সময়ে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।
আরও পড়ুন >< ‘গঙ্গা পানিবণ্টন নিয়ে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ, নবায়ন নয়’
এছাড়া সাম্প্রতিক বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে যাওয়া শিক্ষাপঞ্জি এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত জটিলতাগুলোও নজরে রাখা হয়েছে।
পবিত্র রমজান মাস, ঈদ, শারদীয় দুর্গোৎসব এবং পরবর্তীতে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচিগুলো মাথায় রেখেই নির্বাচন আয়োজনের পুরো বিষয়টি সাজানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।
সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ বা হস্তক্ষেপে ভোটের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে কি না—এমন এক সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার দৃঢ় কণ্ঠে জানান যে, সরকারের কোনো চাপে পড়ে নির্বাচন কমিশন কখনো তারিখ পেছায় না।
বরং দেশের বাস্তব পরিস্থিতি, প্রচলিত আইন এবং সংবিধানের সুনির্দিষ্ট বিধানগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করেই কমিশন সবসময় নির্বাচনী তারিখ ও সময়সূচি ঘোষণা করে থাকে।
আপন দেশ/এমটিআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































