Apan Desh | আপন দেশ

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ২১:৫৩, ২৫ জুন ২০২৬

আপডেট: ২১:৫৪, ২৫ জুন ২০২৬

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: আপন দেশ

চীনের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়ভাবে এক চীন নীতি অনুসরণ করে এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতা সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে।

বৃহস্পতিবার  (২৫ জুন) বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীন যে মূল্যবান সহায়তা দিয়ে আসছে, তার জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ।

চীনের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা বেইজিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে এবং দুই দেশের উন্নয়ন কৌশলের মধ্যে আরও সমন্বয় জোরদার করতে আগ্রহী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। একইসঙ্গে মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ নির্মাণের ধারণা এবং চীনের প্রস্তাবিত চারটি প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশ উচ্চমাত্রার সমর্থন ও সম্মতি জানায়। 

আরও পড়ুন<<>>চীনের সঙ্গে ২ চুক্তিসহ ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

তারেক রহমান বলেন, বহুপক্ষীয় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।

বৈঠকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে এবং দুই দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ নিশ্চিত করতে চীন প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বে আবদ্ধ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। বাংলাদেশের জাতীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নপথ অনুসরণ এবং নতুন সরকারের শাসন কার্যক্রমে চীন দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশ কৌশলগত আস্থা আরও গভীর করবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করবে। এর মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন ও বৃহত্তর উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই) সহযোগিতা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি মানসম্পন্ন পণ্য আমদানিতে আগ্রহী চীন। একই সঙ্গে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ উদীয়মান খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বহুপাক্ষিক অঙ্গনে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে লি ছিয়াং বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঐক্য ও আত্মনির্ভরতা জোরদার এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর যৌথ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চীন ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়