Apan Desh | আপন দেশ

পর্দা উঠলো একুশে বইমেলার

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৬:৩০, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৬:৩০, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পর্দা উঠলো একুশে বইমেলার

ছবি : সংগৃহীত

কয়েক দফায় তারিখ পরবর্তন ও প্রকাশকদের বিভক্তি মিটিয়ে অবশেষে পর্দা উঠল অমর একুশে বইমেলার। বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

'বহুমাত্রিক বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্য নিয়ে একুশে বইমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ১৩ মিনিটে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বইমেলার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি উদ্বোধন স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে পবিত্র কোরআনসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। এরপর রীতি অনুযায়ী সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরার নেতৃত্বে সুরসপ্তকের শিল্পীদের পরিবেশনায় গাওয়া হয় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’গান। 

আরও পড়ুন<<>>‘ইন্টারনেট আসক্তি ছেড়ে তরুণদের বইয়ে পাতায় ফেরাতে হবে’

পরে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
দুপুর ২টায় মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক, মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য পদত্যাগী উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, উপ-উপাচার্য মামুন আহমেদসহ কবি, শিল্পী ও বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রীসহ অতিথিরা বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

এবারের বইমেলায় অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্টল পেয়েছে। মোট ইউনিট সংখ্যা এক হাজার ১৮টি। গত বছর অংশ নিয়েছিল ৭০৮টি প্রতিষ্ঠান, ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় থাকছে লিটল ম্যাগাজিন চত্বর; সেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শিশুচত্বরে থাকছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান ও ১০৭টি ইউনিট।

আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলা এ বইমেলা প্রতিদিন খোলা থাকবে দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে, ছুটির দিনে মেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে না।

এবারের বইমেলা আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে পরিবেশ সুরক্ষায়। আয়োজকরা ঘোষণা দিয়েছেন, এবারের বইমেলা হবে ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’। এ লক্ষ্যে মেলা প্রাঙ্গণকে পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত রাখা হচ্ছে। স্টল, দোকান, মঞ্চ, ব্যানার, লিফলেট ও খাবারের দোকানগুলোতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ যেমন—পাট, কাপড় ও কাগজ ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়