ছবি: আপন দেশ
গরমে শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে অনেকেই ডাবের পানি পান করেন। ডায়রিয়া, বমি কিংবা অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর দুর্বল ও পানিশূন্য হয়ে পড়লেও অনেকে ডাবের পানি পান করেন। তবে পানিশূন্যতার কারণ ও তীব্রতা অনুযায়ী সঠিক পানীয় বেছে নেয়া জরুরি।
ডাবের পানিতে প্রাকৃতিকভাবে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরাইড, ভিটামিন সি, অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
এতে থাকা প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে। সুস্থ মানুষের দৈনন্দিন তরলের চাহিদা পূরণেও ডাবের পানি উপকারী হতে পারে। বিশেষ করে গরমের সময় কিংবা হালকা শরীরচর্চার পর এটি শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।
পানিশূন্যতা দূর: গরমে বা অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরে পানির ঘাটতি ও ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। এ সময় ডাবের পানি শরীরকে সতেজ করতে সহায়তা করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ডাবের পানিতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
হজমশক্তি বাড়ায়: ডাবের পানিতে থাকা ফাইবার ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান খাবার হজমে সহায়তা করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও এটি উপকারী হতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ডাবের পানিতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা: ডাবের পানি শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে। ফলে ত্বকও সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে ডায়রিয়া বা বমির কারণে তীব্র পানিশূন্যতা হলে শুধু ডাবের পানির ওপর নির্ভর না করে খাবার স্যালাইন বা ওআরএস গ্রহণ করা জরুরি। কারণ এ ধরনের পরিস্থিতিতে শরীরে পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণে সঠিক মাত্রার ওআরএস বেশি কার্যকর।
আপন দেশ/এসএস





































