Apan Desh | আপন দেশ

বিএনপি সরকারের ৬ মাস: সাফল্যের চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১২:২৮, ১৭ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ১২:৫১, ১৭ আগস্ট ২০২৬

বিএনপি সরকারের ৬ মাস: সাফল্যের চিত্র

ছবি : আপন দেশ

প্রায় ২ দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। সরকার গঠনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার পথচলার ছয় মাস (১৮০ দিন) পূর্ণ হয়েছে সোমবার (১৭ আগস্ট)। 

শপথ নেওয়ার পর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরু করেছিল সরকার। এ ৬ মাস শেষে একদিকে সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখী সফলতা ও সংস্কার কাজের অগ্রগতির দাবি করা হলেও, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা, মূল্যস্ফীতি ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা গেছে। 

যদিও ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই রাষ্ট্রীয় খরচ কমানোর সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপে নজর কাড়ে নতুন সরকার। শপথের পরপরই সংসদ সদস্যদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও প্লট সুবিধা না নেয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়। 

এ ছাড়া শপথ নেয়ার পর থেকেই তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের ৩১ দফা এবং জুলাই জাতীয় সনদকে সামনে রেখে কাজ এগিয়ে নেয়ার দাবি করে সরকার। জুলাই শহিদদের তালিকা প্রণয়ন, কৃষিঋণ মওকুফ এবং মসজিদ-মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানী ভাতা প্রদানের মতো জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। 

পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালুর মতো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। 

এদিকে, অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, কৃষির পুনরুজ্জীবন, সামাজিক সুরক্ষার সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ এবং বিশ্বপরিসরে  বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে নেয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 

কর্মসংস্থানের রোডম্যাপ

দেশে ও বিদেশে জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। সে লক্ষ্য সামনে রেখে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) প্রস্তাবের মাধ্যমেও দেশে ও বিদেশে নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

খাদ্য মজুতে রেকর্ড

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। চলতি বছরের ২৮ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি গুদামে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রায় ২৪ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এ মজুত দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, বাজার স্থিতিশীলতা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন শুরু

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী, ক্রীড়াবিদ, প্রবাসী, প্রবীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ কার্ড ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষিঋণ মওকুফ, ১৫ টাকা কেজি দরে খাদ্যসহায়তা, নারী উদ্যোক্তা ও তরুণদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ এবং স্টার্টআপ তহবিল গঠন করা হয়েছে।

সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা

সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ফলে মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়ে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে এসেছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ঊর্ধ্বমুখী। ১২ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী মোট (গ্রস) রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। ব্যবসা শুরুর জন্য বিভিন্ন লাইসেন্স ও অনুমোদন পেতে আগে যেখানে দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রায় এক বছর সময় লাগত, তা কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। 

পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে বহুমুখী উদ্যোগ

দীর্ঘদিন লেনদেন সীমিত করে রাখা ফ্লোর প্রাইসব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে শেয়ারের দাম বাজারের চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বৃহৎ বহুজাতিক কোম্পানি ও লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি তালিকাভুক্তির (Direct Listing) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে ভালো মানের শেয়ারের সংখ্যা বাড়ে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়। করব্যবস্থায় বিনিয়োগবান্ধব সংস্কার এবং হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে বাজার আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নিরাপদ হয়।

১৯ হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচি

বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ১৯ হাজার কোটি টাকার চারটি পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচি চালু করেছে। এর লক্ষ্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কৃষকদের অর্থায়ন সহজ করা, সবুজ বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের ওপর অতিনির্ভরতা কমানো।

সিঙ্গেল উইন্ডো সেবা

ব্যবসায়ীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে বিডায় সিঙ্গেল উইন্ডো চালু করা হয়েছে। এ সমন্বিত সিঙ্গেল উইন্ডোব্যবস্থার মূল সুবিধা হলো, ব্যবসায়ীদের এখন আর সনাতন পদ্ধতিতে একেকটি দপ্তরে আলাদাভাবে ঘুরতে হচ্ছে না। ফলে সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচছে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ছে।

বিদেশি বিনিয়োগ ও রফতানি

বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়, নীতিগত সামঞ্জস্য এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজ ও একীভূত সেবা নিশ্চিত করতে প্রথম ধাপে বিডা, বেজা ও পিপিপিএকে একীভূত করে একটি শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন ও পাসের মাধ্যমে তিনটি সংস্থার একীভূতকরণ এবং নতুন সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড : নারীর হাতে পরিবারের নিরাপত্তা

দেশের অসচ্ছল, নিম্ন আয় ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা ছিল বিএনপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি অঙ্গীকার। সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মধ্যে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। 

ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক নারী প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় উপকারভোগী নির্বাচন, তথ্য সংগ্রহ, যাচাইবাছাই এবং কার্ড বিতরণের জন্য সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করে। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যেই তিনটি পর্যায়ে পাইলট প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। 

কৃষক কার্ডে নানান সুবিধা

কৃষকদের জন্য একটি সর্বজনীন, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে। এ কার্ডের মাধ্যমে সার, উন্নত বীজ, সেচ, কৃষিযন্ত্র ও অন্যান্য কৃষি উপকরণে সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও অন্যান্য আর্থিক সেবায় প্রবেশাধিকার, আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃষি সম্প্রসারণ সেবা, বাজারসংক্রান্ত তথ্য এবং পর্যায়ক্রমে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য ও বাজারসংযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এ কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে ২০ হাজার ৮৩২ জন কৃষকের মাঝে কার্ড বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং কৃষি প্রণোদনার আওতায় ২০ হাজার ৪৮৩ জন কৃষককে মোট ৫ দশমিক ১২ কোটি টাকা সরাসরি বিতরণ করা হয়েছে।

প্রবাসী কার্ড

প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা, আইনি সুরক্ষা ও জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসন ও বিমাসুবিধা; বৈদেশিক বিনিয়োগসংক্রান্ত সেবায় অগ্রাধিকার; ব্যাংকিং ও অন্যান্য সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার সুবিধা মিলবে।

জীবনবান্ধব বাজেট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২৯ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেন।

আইনশৃঙ্খলায় অগ্রাধিকার

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ১৯ দিনে এবং মেহেরপুরের শিশু ধর্ষণ মামলার রায় ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

শিল্পের সঙ্গে শিক্ষার সেতুবন্ধন

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতের জন্য ৪৩টি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। যেখানে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য স্নাতক (সম্মান) পর্যায় পর্যন্ত বিনা টিউশন ফি-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর করপোরেট কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নদী-খালে ফিরছে জীবন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচির আদর্শ সামনে রেখে সরকার নদী-খাল পুনঃখনন শুরু করেছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১৫ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় দেশের ৬২টি জেলার ২৪২টি উপজেলার ৩৮৩টি খালের মোট ৯৯৩ দশমিক ৯৯ কিলোমিটার পুনঃখননকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন

গত ১৩ মে ২০২৬ একনেক সভায় ৩৪,৪৯৭.২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

নদীতীর সুরক্ষায় জরুরি কাজ

সরকারের প্রথম চার মাসে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার নদীতীরে জরুরি প্রতিরক্ষাকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ ও বন্যা প্রতিরোধ অবকাঠামো নির্মাণ ও পুনর্বাসনের কাজ এগিয়ে চলছে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা জাতীয় অগ্রাধিকার

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পকে (TRCMRP) জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ অভ্যুত্থান

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়ানো হয়েছে। জুলাই যোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত মোট ১৪ হাজার ৩৬৮ জনের মধ্যে ১৩ হাজার ৪৭৯ জনকে তাঁদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের ১ হাজার ১০২ জন উত্তরাধিকারীর মধ্যে ২৫০ কোটি ১১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
 
স্বাস্থ্যসেবায় আস্থা ফিরছে

ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভালভ, পেসমেকার, অক্সিজেনেটর, চোখের লেন্স এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও কর কমানো বা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গড়ে উঠছে ‘চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল’। এ বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১ লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে জাপানি বিভিন্ন কোম্পানি ও অন্যান্য বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান যুক্ত হচ্ছে। সেখানেও প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পরিবেশ সুরক্ষা ও বৃক্ষরোপণ

পরিবেশ সুরক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প শুরু হয়েছে। প্রথম ১৮০ দিনে চারা রোপণ হয়েছে ২ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার।

আপন দেশ/এনএম

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement