Apan Desh | আপন দেশ

রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৬:১০, ২ জুন ২০২৬

রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

ফাইল ছবি, আপন দেশ

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (০৩ জুন) মামলার আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (০২ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার (০৩ জুন) আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য প্রদানের জন্য দিন ধার্য করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। প্রথমে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হলেও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর সময় কাঠগড়ায় তোলা হয়। 

আরও পড়ুন<<>>আসামির বাহিরে কথা বলা, প্রচারে কড়া নির্দেশনা আদালতের

এর আগে গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান।

ওইদিনই মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। গত ০১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।
মামলার অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ওই অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার পর ঘরের জানালার গ্রিল কেটে প্রধান আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ আসামি স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। পরে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গত ২১ মে ওই মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রামিসার বাবা পরিবার নিয়ে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১-এর ব্লক-বি এলাকায় একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। তিনি বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারও একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। ভুক্তভোগী রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়