ছবি : সংগৃহীত
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ও উত্তেজনার মধ্যেই দ্বীপটির পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন।
নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি বলেছে, এটি নিয়মিত প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের অংশ। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সম্পর্ক নেই।
উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে অবস্থিত পিটুফিক স্পেস বেসটি আগে থুলে এয়ার বেস নামে পরিচিত ছিল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। এখানে ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও যোগাযোগ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
নোরাড জানায়, উত্তর আমেরিকার আকাশ প্রতিরক্ষার নিয়মিত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই সেখানে বিমান পাঠানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় সংস্থাটি বিষয়টি স্পষ্ট করেছে।
তারা আরও দাবি করেছে, মোতায়েনের বিষয়ে ডেনমার্ক সরকার ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকে আগেই জানানো হয়েছিল। প্রয়োজনীয় সমন্বয়ও করা হয়েছে।
তবে সময়টি সংবেদনশীল হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। কারণ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল বা কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন।
আরও পড়ুন <<>> গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনাদের কোনো স্থান নেই : নেতানিয়াহু
গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান, বিপুল খনিজ সম্পদ এবং আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের প্রভাব বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দ্বীপটি বিক্রির কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ ও বলপ্রয়োগের হুমকির পাশাপাশি এই সামরিক তৎপরতা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদিও নোরাড একে রুটিন পদক্ষেপ বলছে, তবুও আর্কটিক অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে এটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড তাদের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এখনও অনড় অবস্থানে রয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































