Apan Desh | আপন দেশ

শিল্পকলায় ‘হ্যাপি চাইনিজ নিউ ইয়ার’ 

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৮, ২১ জানুয়ারি ২০২৫

আপডেট: ২২:০০, ২১ জানুয়ারি ২০২৫

শিল্পকলায় ‘হ্যাপি চাইনিজ নিউ ইয়ার’ 

শারীরিক কসরতের সঙ্গে শৈল্পিকতার নান্দনিক পরিবেশনায় চীনের শিল্পীরা তুলে ধরলেন তাদের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অপেরা সঙ্গীত, অ্যাক্রোবেটিক, দলীয় নৃত্য, সর্পনৃত্যসহ নানা ধরনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় দেশটির জাতিস্বত্বার পরিচয় তুলে ধরে চায়নিজ শিল্পীরা।

পরিবেশনার পরতে পরতে দেশটির শিল্পীরা চায়নিজ নববর্ষের পরিচিতি, চায়নিজ নববর্ষের ভিত্তি, চায়নিজ নববর্ষের কমন বিষয়সহ নানা ঐতিহ্য উপস্থাপন করে। চীনা নতুন বর্ষ উদযাপনে ‘হ্যাপি চায়নিজ নিউ ইয়ার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এমন দৃশ্যই চিত্রিত করে চীনা শিল্পীরা।

বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমি এবং চীনা দূতাবাসের যৌথ আয়োজনে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) শিল্পকলা অ্যাকাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ ও ব্যতিক্রমধর্মী এ আসর।

চীনা সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যগতভাবে সাপকে পরিবর্তন, জ্ঞান বৃদ্ধি এবং স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যার কারণে দেশটি এবার তাদের নববর্ষকে ‘ইয়ার অব দ্য স্ন্যাক ২০২৫’ ঘোষণা করেছে।  সে ঘোষণার প্রেক্ষিতে সাপের সঙ্গে চীনাদের সম্পর্কের বিষয়গুলো সর্পনৃত্যের মাধ্যমে তুলে ধরে ঝিজিয়াং উ অপেরার শিল্পীরা। 

অনুষ্ঠানের শুরুতেই দলীয় মনিপুরী নৃত্য পরিবেশন করে সিলেটের ‘অ্যাকাডেমি ফর মনিপুরী কালচার অ্যান্ড আর্টস’ এর শিল্পীরা।

আরও পড়ুন<<>> বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন

এর আগে সংংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
স্বাগত বক্তৃতা করেন শিল্পকলা অ্যাকাডেমির মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ।

ড. মঈন খান বলেন, সংস্কৃতি হচ্ছে একটি দেশের দূত। সংস্কৃতি একটি জাতির পরিচায়ক। কোনো ভাষা ছাড়াই যেকোনো দেশ তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে পারে। বাংলাদেশ ও চীনার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হাজার বছরের। সংস্কৃতির বিনিময়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বের বন্ধন আরো সুদৃঢ় হবে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সঙ্গে অর্থনীতি, রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের বন্ধনে দুই দেশের সংস্কৃতির বিনিময় অনেক বেশি ভূমিকা রেখেছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সমৃদ্ধিতেও বাংলাদেশ ও চীনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চায়না বদ্ধ পরিকর। 

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, চীনের সঙ্গে ভবিষ্যতেও আমাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও বেশি জোরদার হবে বলে আমি আশা প্রকাশ করছি।

আপন দেশ/এবি

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি কমনওয়েলথ কনফারেন্সে আফ্রিকা যাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার হজ কার্যক্রমে অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি মিয়ানমার বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, সব ফ্লাইট বাতিল র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি, সংসদে বিল পাশ ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী অপরিশোধিত তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়াল বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ জন জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, একাধিক যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক অনিয়ম-শিক্ষাসনদ জালিয়াতির অভিযোগ: ডব্লিউএইচও ছাড়লেন সায়মা ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে দফায় দফায় বিস্ফোরণ
City Touch