ছবি: আপন দেশ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার (০৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। কারিগরি ত্রুটির কারণে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (০৭ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কমিটির আহবায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি (অনলাইন) ত্রুটির কারণে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন প্রক্রিয়া শনিবার (০৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিঘ্নিত হয়।
এ কারণে অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে পারেননি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় শনিবার (০৭ নভেম্বর) রাত ১২টার পরিবর্তে রোববার (০৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন <> হেমন্তেও বৃষ্টি, আজ ভিজতে পারে ২ জেলা
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, গত ১ নভেম্বর থেকে এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে শনিবার (০৭ নভেম্বর) রাত ৮টায়।
নির্ধারিত সময়ে পুনর্নিরীক্ষণে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের একেকজন একাধিক বিষয় ও পত্রের পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন জমা দিয়েছেন। এতে মোট আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি।
যেভাবে প্রকাশ হবে পুনঃনিরীক্ষণের ফল : এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল আগামী ২৭ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে। এ জন্য নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ শেষ করার প্রস্তুতি নিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।
অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু জানান, আবেদনপ্রক্রিয়া শেষে রোববার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কাছ থেকে আবেদনের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ৯ নভেম্বর কম্পিউটার সেল থেকে উত্তরপত্রের তথ্যসংবলিত তালিকা ও বিষয়ভিত্তিক তালিকা সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হবে। ১২ নভেম্বরের মধ্যে পুনর্মূল্যায়নের জন্য পরীক্ষক নিয়োগ এবং প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে উত্তরপত্র সংগ্রহ করা হবে।
১৩ থেকে ১৯ নভেম্বরের মধ্যে পরীক্ষকদের ব্রিফিং ও পুনর্মূল্যায়নের কাজ চলবে। ২০ নভেম্বরের মধ্যে পরীক্ষকদের কম্পিউটার সেলে তথ্য পাঠাতে হবে। এরপর ২১ থেকে ২৩ নভেম্বর কম্পিউটার সেলে পরিবর্তিত নম্বর অন্তর্ভুক্তি ও উত্তরপত্রের কোড যাচাই করা হবে। ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর নম্বর পরিবর্তন হওয়া উত্তরপত্রগুলো চূড়ান্তভাবে যাচাই করা হবে। সব প্রক্রিয়া শেষে ২৭ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে।
এর আগে গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত ২২ বছরের মধ্যে এবার পাসের হার সর্বনিম্ন।
আপন দেশ/এমটিআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































