Apan Desh | আপন দেশ

ইবি উপাচার্য ও চীনা দূতাবাসের বৈঠক

ইবিতে আসছে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চালু হচ্ছে চীনা ভাষা কোর্স

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮:৩১, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ইবিতে আসছে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চালু হচ্ছে চীনা ভাষা কোর্স

ছবি: আপন দেশ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে (ইবি) আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা কোর্স চালু ও কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং-এর সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় ঢাকার গুলশানে অবস্থিত চীনা দূতাবাসে এক বৈঠক হয়।

বৈঠকে চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে চলতি বছর থেকেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা কোর্স চালু ও কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আওতায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এ ছাড়া আগামী এপ্রিল মাসে উপাচার্যের আমন্ত্রণে চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিদল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সরেজমিন পরিদর্শনে যাবে বলেও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ গত ৬ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত চীন সফর করেন। সফরকালে চীনের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয় ও শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাব্য স্কলারশিপ সুবিধা নিয়েও ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এ উদ্যোগ ইবির আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সফরের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা, একটি কনফুসিয়াস সেন্টার প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করা, শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা। চীনের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ফলে যৌথ শিক্ষা, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা আরও সহজতর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা চীনে গিয়ে উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষার সার্টিফিকেট কোর্স চালুর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক মানের ভাষা শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

আপন দেশ/এমবি

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়