Apan Desh | আপন দেশ

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ কর্মকর্তা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৮:১৯, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ কর্মকর্তা কারাগারে

ফাইল ছবি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনশী আব্দুল মজিদ শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জামিন নামঞ্জুর হওয়া কর্মকর্তারা হলেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকিউরমেন্ট অফিসার আব্দুল মুনিম, সেকশন অফিসার রিঙ্কু দাস, চৌধুরী রুম্মান আহমেদ, লোকমান আহমেদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুরঞ্জিত রঞ্জন তালুকদার, রবিউল আলম বকুল, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রুহুল আমিন। 

আরও পড়ুন<<>>ছাত্রলীগ নয়, অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এদিন তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।

শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেন বিচারক। এর আগেও দুর্নীতির মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা কারাভোগ করেছেন।

তারাও আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুদকের দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ মোট ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। একই বছরের ২৫ এপ্রিল আদালত ৫৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে, সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

এছাড়া ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে (অ্যাডহক) ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়।

পরবর্তীতে নির্ধারিত সময় শেষে চাকরি নিয়মিত না করে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত অ্যাডহক নিয়োগের মেয়াদ বাড়ানো হয়, যা বিধিমালার পরিপন্থী।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়