ছবি : আপন দেশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে প্রথম কার্যদিবসে লেনদেন শুরু হতেই চাঙা হয়ে উঠেছে শেয়ারবাজার। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিনের শুরুর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়।
সূত্র মতে, এদিন লেনদেনের প্রথম পাঁচ মিনিটেই অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমায় (সার্কিট ব্রেকার) পৌঁছে যায়। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা যেন একসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়ে বাজারে তৈরি হয়েছে ‘প্রত্যাশার বারুদ’।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া এবং নতুন সরকারের দ্রুত নীতিগত দিকনির্দেশনার আশায় বিনিয়োগকারীরা কেনার দিকে ঝুঁকেছেন। নির্বাচনের আগে টানা কয়েক মাস অনিশ্চয়তা, তারল্য সংকট ও আস্থাহীনতার কারণে বাজারে স্থবিরতা ছিল। অনেক বিনিয়োগকারী সাইডলাইনে ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর তারা নতুন করে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন।
আরও পড়ুন<<>>শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক
লেনদেনের শুরুতেই ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা ও বড় মূলধনী কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতার চাপ বেশি দেখা যায়। ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কর্মকর্তারা জানান, বাজারে বিক্রেতা তুলনামূলক কম থাকায় দর দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অনেকে এটিকে ‘রিলিফ র্যালি’ বলছেন- অর্থাৎ অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ার স্বস্তি থেকেই এ উল্লম্ফন।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, কেবল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশাই নয়, অর্থনৈতিক সংস্কার, সুদহার নীতি, ডলারবাজার স্থিতি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকেও নজর থাকবে। যদি ঘোষিত সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তবে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছুটা স্থায়ী হতে পারে।
তবে তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, টেকসই ঊর্ধ্বগতির জন্য করপোরেট আয় বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































