ছবি : সংগৃহীত, আপন দেশ
চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে শুরুতে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে বাংলাদেশের ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ২৬৫ রান। ফলে জিততে হলে নিউজিল্যান্ডকে করতে হবে ২৬৬ রান।
ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আর ফিফটির দেখা পেয়েছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন কুমার দাস। তাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে স্বাগতিকরা।
শুরুতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরের ফিরেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’উরকের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ব্যক্তিগত রানের খাতা খুলতে পারেননি এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম। ৫ বলে ১ রান করেন তিনি। ৯ রানে ২ উইকেট হারানো দলের হাল ধরান চেষ্টা চালান নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। কিন্তু এ জুটিটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন সৌম্য।
আরও পড়ুন<<>>ব্যাটিংয়ের শুরুতেই চাপে বাংলাদেশ
চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। শুরুতে দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকলেও ক্রমেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। তাতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশের ইনিংস। জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১৬০ রান। তাতেই ভালো সংগ্রহের ভিত পেয়েছে টাইগাররা। ফিফটি পূরণের পর ৭৬ রানে থামেন লিটন।
এদিকে ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন শান্ত। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতরানের ইনিংস। শান্তর ইনিংস থামে ১০৫ রানে। ১১৯ বলে খেলা তার এ অনবদ্য ইনিংসটি ৯টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।
এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ২২, শরিফুল ইসলাম ১, তানভীর ইসলাম শূন্য রানে আউট হন।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































