ছবি: আপন দেশ
মহাকাশ জয়ের ইতিহাসে ২০ জুলাই এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৬৯ সালের এ দিনে অ্যাপোলো-১১ অভিযানে অংশ নিয়ে প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিলেন মার্কিন নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং ও তার সঙ্গী এডুইন অল্ড্রিন জুনিয়র। মানবজাতির এ ঐতিহাসিক সাফল্য এবং মহাকাশ বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ২০ জুলাই বিশ্বজুড়ে 'আন্তর্জাতিক চন্দ্র দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০২১ সালে ‘মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা’ বিষয়ক এক প্রস্তাবে ২০ জুলাইকে আন্তর্জাতিক চন্দ্র দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এ দিবস উদযাপনের মূল লক্ষ্য হলো চন্দ্র অনুসন্ধানে বিশ্বের সকল দেশের অর্জনকে সম্মান জানানো এবং চাঁদের সুষম ও টেকসই ব্যবহারের বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
আরও পড়ুন<<>>আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস আজ
আজকের এ ঐতিহাসিক মাইলফলকের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের গবেষণা ও সাধনা। প্রাক-ঐতিহাসিক কাল থেকেই মানুষ আকাশের চাঁদের রহস্য নিয়ে ভেবেছে। পরবর্তীতে টেলিস্কোপ আবিষ্কার এবং মহাকাশ গবেষণার প্রসারের মাধ্যমে মানুষ চাঁদে অভিযানের স্বপ্নকে সত্যি রূপ দেয়। প্রথমবার চাঁদে মানুষের পা রাখা কেবল একটি দেশের সাফল্য ছিল না, বরং তা মানব সভ্যতার অসীম সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছিল।
জাতিসংঘের আহবানে সাড়া দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সাধারণ নাগরিকরা নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এ দিনটি পালন করে থাকেন। অতীতে মহাকাশ অনুসন্ধানে অর্জিত সাফল্যকে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের নতুন নতুন মহাকাশ অভিযানের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে এ আন্তর্জাতিক চন্দ্র দিবস।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































