ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কের জ্বালানি পাম্পগুলো ঈদের আগে সাত দিন এবং ঈদের পরে পাঁচ দিন টানা ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা জানান।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে মহাসড়কের সব জ্বালানি পাম্প সার্বক্ষণিক খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য যানজট এড়াতে দেশের মহাসড়কের ২০৭টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, যাতে কোথাও যানজট সৃষ্টি না হয় এবং যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার না হন।
তিনি বলেন, সরকারের সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীরা যাতে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন এবং সড়কে দীর্ঘ সময় আটকে না থাকেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।
এছাড়া ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি। বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
এদিকে রাজধানীর গুলিস্তানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, দূরপাল্লার বাস ও গণপরিবহনে জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেয়া হয়েছে। শনিবার রাত থেকেই এসব পরিবহন প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাবে।
আরও পড়ুন <<>> ‘সবার প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করবে সরকার’
সম্প্রতি ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়লে দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা হিসেবে গত ৬ মার্চ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহে সীমা নির্ধারণ করেছিল।
সে নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারত। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য সীমা ছিল ১০ লিটার। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল ও মাইক্রোবাস পেত ২০-২৫ লিটার জ্বালানি।
এছাড়া পিকআপ ও লোকাল বাস দৈনিক ৭০-৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারত। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের জন্য নির্ধারিত ছিল ২০০-২২০ লিটার তেলের সীমা।
তবে নতুন সিদ্ধান্তে শুধু গণপরিবহনের ক্ষেত্রে রেশনিং তুলে নেয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য জ্বালানি সরবরাহের সীমা বিষয়ে এখনো নতুন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































