ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের তৈরি গার্মেন্টস শিল্পে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ঘিরে অসন্তোষের দিকে নজর রাখছে ভারত।
মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ কথা জানিয়েছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। সেখানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে এবং আমরা সেগুলোর ওপর নজর অব্যাহত রেখেছি।
তিনি আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা ইতিবাচক। আমরা ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মজুরি বাড়ানোর দাবিতে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছেন। ভাঙচুর ও সহিংসতার খবরের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের সর্বশেষ পর্যায়ে ঢাকা, গাজীপুর ও মধ্য ময়মনসিংহের প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত পোশাক কারখানার মধ্যে ৬৭০টি বন্ধ রাখতে হয়েছে।
আরও পড়ুন<<>>যুদ্ধ বন্ধসহ ইরানের ৫ শর্ত
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গে জয়সোয়াল বলেন, দুই দেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ অভিন্ন নদীগুলোর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই নির্ধারিত কাঠামো।
১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি সই হয়েছিল। ৩০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর শেষ হওয়ার কথা।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জয়সোয়াল বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ আগেই জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে তা জানানো হবে।
এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে। তবে এসব বিষয়ে জয়সোয়াল বিস্তারিত মন্তব্য না করে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাই পুনর্ব্যক্ত করেন।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































