Apan Desh | আপন দেশ

পটুয়াখালীতে ৮০টি গভীর নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ১৮:০৫, ২৭ জুন ২০২৬

পটুয়াখালীতে ৮০টি গভীর নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ

ফাইল ছবি, আপন দেশ

পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায় ৮০টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় এখানে প্রায়ই তীব্র  নিরাপদ সুপেয় পানির সংকট দেখা দেয়। এ সংকট নিরসনেই নলকূপগুলো স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পরিষদ।

নলকূপগুলো গুরুত্বপূর্ণ হাট-বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনবহুল স্থানে স্থাপন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সরাসরি সুপেয় পানির সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্থানে বোরিং, পাইপ স্থাপন ও চূড়ান্ত প্রস্তুতির কাজ চলছে। দীর্ঘদিনের পানির সংকটে ভোগা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এ উদ্যোগকে ঘিরে স্বস্তি বিরাজ করছে।

জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, সুপেয় পানির দাবিতে প্রায় দুই হাজার আবেদন জমা পড়েছিল। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে জনস্বার্থ ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৮০টি স্থানে গভীর নলকূপ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গত ২৪ মে কার্যাদেশ প্রদানের পর পর্যায়ক্রমে কাজ শুরু হয়েছে। 

আরও পড়ুন<<>>শ্রীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

এ বিষয়ে কমলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মৃধা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসায় গভীর নলকূপ স্থাপনের ফলে শিক্ষার্থী, মুসল্লি ও পথচারীরা নিরাপদ পানির সুবিধা পাবেন।

স্থানীয় মুসল্লি আবদুল খালেক জানান, মসজিদে ওজুর জন্য প্রায়ই পানির সংকট হতো। নতুন নলকূপ হলে এ সমস্যা দূর হবে।

গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, বিশুদ্ধ পানির জন্য অনেক দূরে যেতে হতো। এখন বাড়ির কাছেই পানি পাওয়া যাবে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, নিরাপদ পানি মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় স্থানগুলোতে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে। এ উদ্যোগে হাজারও পরিবার দীর্ঘদিনের পানির দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, স্থান নির্বাচন থেকে বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রয়েছে।

সহকারী প্রকৌশলী মো. হাসিবুল হাসান বলেন, প্রতিটি গভীর নলকূপ কারিগরি মানদণ্ড অনুসরণ করে স্থাপন করা হচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ও পানির গুণগত মান যাচাই করেই কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা মনে করেন, এ উদ্যোগ নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগ কমিয়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়