ছবি : আপন দেশ
বিদায় নিয়েছে কার্তিক। হেমন্তের শেষে মাঠ থেকে কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন ধান। নবান্নের পিঠা-পুলির গন্ধে যখন গ্রামগুলো মাতোয়ারা, তখন প্রকৃতিতে চাদর বেছানো শুরু করেছে কুয়াশা। দুপুর গড়িয়ে বিকেল, এরপর সন্ধ্যা নামতেই শীতল হাওয়ায় শীতের কাঁপন শুরু হয়।
দেশের উত্তর জনপদের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গত কয়েক দিন ধরে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে ১৪ ডিগ্রির ঘরে। এতে বেড়েছে শীতের আমেজ। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ৯টায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত কয়েকদিন ধরেই সন্ধ্যার পর থেকে শীত অনুভূত হচ্ছে ও রাতভর হালকা কুয়াশায় ঢেকে থাকে গোটা এলাকা। তবে ভোরের দিকে সূর্য উদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে যায় ঠান্ডার অনুভূতি। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রোদের কারণে গরম অনুভূত হয়। কদিন ধরেই দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩০-৩১ ডিগ্রি।
আরও পড়ুন<<>>মৌসুমের প্রথম কুয়াশা বেল্টে ঢাকা
অন্যদিকে, দিনে গরম এবং রাতে শীতের কারণে কারণে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে তিন শতাধিক রোগী শীতজনিত কাশি, সর্দি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও বেশি বয়স্করা সর্দি, কাশি, নিউমনিয়া ও ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মেঝে বা বারান্দায় স্থান নিয়েছেন অনেক রোগী।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় এ জেলায় বরাবরই শীতের তীব্রতা অনেক বেশি। বুধবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭২ শতাংশ। কয়েকদিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্য ওঠানামা করছে। চলতি মাসের শেষের দিকে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































