Apan Desh | আপন দেশ

অর্থ পাচারকারী

ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

ব্যাপক আর্থিক লুটপাট ও কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনরুদ্ধারে ৫-৮ বছর পর্যন্ত জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) ওয়ান ব্যাংক আয়োজিত বাংলা কিউআর লেনদেনের প্রচার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এ কথা বলেন। আর্থিক খাতের অর্থপাচার ও অনিয়মের ব্যাপকতা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, তিনি যখন গভর্নরের দায়িত্ব নেন, তখন ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের এক-তৃতীয়াংশই লুট হয়ে গিয়েছিল। এ পরিমাণ অর্থ দিয়ে সরকার ২ কোটি পরিবারকে সহায়তা দিতে পারত অথবা পদ্মা সেতুর মতো দুটি বড় অবকাঠামো প্রকল্প নির্মাণ করতে পারত। 

০৯:১১ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার

অর্থ আত্মাসাত মামলায় ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান রিমান্ডে

অর্থ আত্মাসাত মামলায় ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান রিমান্ডে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। জমি কেনার নামে অর্থ আত্মসাতের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা দেড়টায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে তাকে হাজির করা হয়। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। সূত্র জানায়, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মোট ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই এ মামলা দায়ের করা হয়।

০৭:০৪ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ বৃহস্পতিবার

‘ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাচার হওয়া কিছু অর্থ ফেরত আনা সম্ভব’

‘ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাচার হওয়া কিছু অর্থ ফেরত আনা সম্ভব’

আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে পাচার হওয়া কিছু অর্থ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে। এ আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে না পারলে ফেরত আনা সম্ভব নয়। কেননা এটা একটি আন্তর্জাতিক অনুশীলন। আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা জানান, অর্থ পাচারকারীরা নানান বুদ্ধি জানে। অর্থ ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় প্রয়োজন, এ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। এমনকি অনেক লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

০২:২৭ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার

দুদকের পরিচালক হলেন সেই নূরুল হুদা !

দুদকের পরিচালক হলেন সেই নূরুল হুদা !

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ফেরি করছেন। তখন দুর্নীতি দমন কমিশনে হচ্ছে কী? এক চিঠিতেই ৯ ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারী প্রতিষ্ঠান মালিকদের দায়মুক্তির সুপারিশ করেছেন প্রমোটি উপ-পরিচালক মোহাং নূরুল হুদা। তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে গত ১৪ মে দেয়া হয় এ দায়মুক্তি। দায়মুক্তির সুপারিশের পরই দুদকের ‘টপ টেন’ দুর্নীতিবাজদের একজন এই নূরুল হুদার ফাইল উঠেছিল পদোন্নতি সুপারিশ কমিটিতে। অবশেষে সেই নুরুলহুদাসহ চারজনকে পরিচালকে পদোন্নতি দিল কমিটি।

০২:২৬ পিএম, ১৯ জুন ২০২৫ বৃহস্পতিবার

বেনামি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মোরশেদ আলমের শত শত কোটি টাকা পাচার

বেনামি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মোরশেদ আলমের শত শত কোটি টাকা পাচার

আওয়ামী লীগে সাবেক এমপি, বেঙ্গল গ্রুপের মালিক মো. মোরশেদ আলম। তার প্রতিষ্ঠানে প্রায় দুই যুগ ধরে উৎপাদন, আমদানি-রফতানিসহ যাবতীয় কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে অস্তিত্বহীন কথিত ‘বিদেশি’ নাগরিকদের। তাদের দেখানো হচ্ছে- প্রতিষ্ঠানটির ‘চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক’ এবং ‘পরিচালক’ হিসেবে। বোর্ড মিটিংয়ের রেজুলেশন, অফিসিয়াল রেকর্ডপত্র, কাঁচামাল আমদানি ও ফিনিশড গুড রফতানি, স্থানীয়বাজারে বিক্রি, এমনকি ব্যাংকের লেনদেনও অস্তিত্বহীন ব্যক্তিদের স্বাক্ষরেই! কে বা কারা এ স্বাক্ষর করছে, সেটি স্বচক্ষে দেখেননি প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারি। এমনকি যেসব ব্যাংকে লেনদেন হচ্ছে, তারাও কথিত বিদেশি নাগরিকদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি। এমন ভুতুড়ে প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘হ্যাঙ্গার্স প্লাস (বাংলাদেশ) লিমিটেড’।

০৬:৪০ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রোববার

লোটাস কামালের ১০৭ অ্যাকাউন্টেই সাড়ে ৮শ’ কোটি টাকা

লোটাস কামালের ১০৭ অ্যাকাউন্টেই সাড়ে ৮শ’ কোটি টাকা

দেশের ১০৭ অ্যাকাউন্টেই ৮৪৯ কোটি ৭৮ লাখ ১৯ হাজার ১৬টাকা লেনদেন করেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী লোটাস কামাল। ঘুষ, দুর্নীতিসহ বিভিন্নভারে এ টাকা অর্জন করেছেন তিনি। লোটাস কামালসহ তার স্ত্রী কাশমিরি কামাল, দুই মেয়ে কাশফি কামাল ও নাফিসা কামালের সম্পৃক্ততা মিলেছে। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক তিন মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুদক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আবু হেনা মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল (আ হ ম মোস্তফা কামাল) পতিত আওয়ামী লীগের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক। ইতোমধ্যে দেশে তার অঢেল সম্পদের সন্ধান পেয়েছে।  

০৫:৩৯ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ বৃহস্পতিবার

লুটপাটের চিত্র পাঠ্যবইয়ে আসা উচিত: প্রেস সচিব

লুটপাটের চিত্র পাঠ্যবইয়ে আসা উচিত: প্রেস সচিব

বাংলাদেশের আর্থিক খাতের লুটপাটের চিত্র পাঠ্যবইয়ে আসা উচিত। শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে সচেতন করা উচিত বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এমন তথ্য জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম। প্রেস সচিব বলেন, উন্নয়নের বয়ানের পোস্টমর্টেম করা হয়েছে অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র। যে চিত্র বেরিয়ে এসেছে তা ভয়াবহ। চোখের সামনে বিশাল লুটপাট হয়েছে। অধ্যাপক ইউনূস সব শুনে বলেছেন, আমরা আতঙ্কিত। এ লুটপাটের চিত্র পাঠ্যবইয়ে আসা উচিত।

০৭:১৫ পিএম, ১ ডিসেম্বর ২০২৪ রোববার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কার্যালয় ছিল এস আলমের!

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কার্যালয় ছিল এস আলমের!

সরকারের ভেতরেও যে সরকার থাকে। শীর্ষ কর্তাকেও গোলাম বানিয়ে রাখা যায়- এমন নজির আছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকে। এ কাজটিই করেছে দেশের আলোচিত-সমালোচিত লুটেরা এস আলম গ্রুপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ তিন কার্যালয় ছিল গ্রুপটির মালিক সাইফুল আলম মাসুদের দখলে। আর যেসব কর্মকর্তা এস আলমের গোলামির জিঞ্জির পরেছিল তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে অকল্পনীয়। একেকজনের কাহিনী আঙ্গুলফুলে কলাগাছ বনে যাবার চেয়েও ভয়ঙ্কর। তাদের কারণে সকল বিধিবিধান ভেঙে নির্বিঘ্নে নামে-বেনামে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা ঋণ নিতে পেরেছে গ্রুপটি। ওই ঋণের মধ্যে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকাই পাচার করতে পেরেছে কোন প্রশ্নের মুখে না পড়েই। গ্রুপটির বেপরোয়া লুটপাটের ফলে দেউলিয়ার পথে হাটছে দেশের ৮টি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আপন দেশ-এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে সেচিত্র।

১১:২৬ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২৪ সোমবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement