ফাইল ছবি
টেস্ট কিম্বা ওয়ানডে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভরাডুবি ঘটেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে চারদিন রাজত্ব করেও জয়ের দেখা পাননি নাজমুল হোসেন শান্তরা। ত্রিদেশীয় সিরিজে তো রীতিমত ভরাডুবি ঘটেছে লাল সবুজ দলের। ফলে শূন্যহাতে দেশে ফিরতে হয়েছে তাদের। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে বলেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
আরব আমিরাতে ব্যর্থতা অন্য যে কোনো ব্যর্থতার চেয়ে বড় করেই দেখা হচ্ছে। কারণ, ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ের দেখা পায়নি তারা। এ সংকটের সময়ে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়ার পথ খুঁজতে বৈঠকে বসেছিলেন বিসিবি সভাপতি।
তামিমের এ সভায় তার সঙ্গে ছিলেন পাঁচ সিনিয়র ক্রিকেটার। সঙ্গে ছিল জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেল আর টিম ম্যানেজমেন্টও। এ আলোচনায় সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল দলের সাম্প্রতিক পারফর্ম্যান্স। সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও গুরুত্ব পেয়েছে এ বৈঠকে।
আরও পড়ুন<<>>টেলিভিশনে আজকের যত খেলা
বৈঠকে হাজির ৫ ক্রিকেটার ছিলেন- লাল বলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সাদা বলের অধিনায়ক লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের নির্বাচকরা, টিম ম্যানেজার, কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ।
বৈঠকের আগে ধারণা করা হচ্ছিল ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যর্থতার কারণে এখানে ক্রিকেটারদের তোপের মুখে পড়তে হবে। যদিও সেখানে তেমন কিছুই হয়নি। তামিম এখানে জানতে চেয়েছেন দলকে আরও ভালো অবস্থানে নেয়া যায় কী করে। ক্রিকেটাররা তাদের নিজস্ব মতামত দিয়েছেন।
বাংলাদেশের সামনে অবশ্য বেশ ব্যস্ত সময়। উইন্ডিজের বিপক্ষে ২ টেস্টের সিরিজ খেলে সঙ্গে সঙ্গেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে হবে দলটিকে। সেখানে আছে আরও ২ টেস্ট, সঙ্গে সাদা বলের ২ সিরিজও। উইন্ডিজ আর দক্ষিণ আফ্রিকা ২ সিরিজই বাংলাদেশের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে খেলা-না খেলায় বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়াবে। ঠিক সে কারণে মাঠের পারফর্ম্যান্স তো বটেই, মাঠের বাইরে পরিকল্পনাতেও ভালো মনোযোগ দিয়েছে বিসিবি।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































