ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এখন সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দেশজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কারা আসছেন আগামীর মন্ত্রিসভায়?
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসে মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করতে পারেন।
বিশেষ করে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কারা পাচ্ছেন, তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে। এখন পর্যন্ত ৫ জনের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।
বিগত ১৬ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকার পর এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিএনপি। এখন লক্ষ্য একটি দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য মন্ত্রিসভা উপহার দেয়া। বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, আজ রাতের বৈঠকেই সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নামের তালিকাটি একটি চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য বর্তমানে দুই হেভিওয়েট নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন- ১. ড. ওসমান ফারুক: সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রী কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসন থেকে ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার পূর্ব অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাবিদ হিসেবে দলের ভেতরে তার বড় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
২. ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন: চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ১ লাখ ৩১ হাজার ৩২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক এই শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নকলমুক্ত পরীক্ষার জন্য দেশজুড়ে তিনি সমাদৃত।
এবারের নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুক। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়েছেন। চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৩২৯ ভোট।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার ৪৫৪ ভোট।পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণ অধিকারের সভাপতি নুরুল হককে নুর জয়ী হয়েছেন। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে ৭৩ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়েছেন। আর চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির সাঈদ আল নোমান ১ লাখ ২১ হাজার ৩৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
জানা গেছে, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। এ পর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্ত হলো, সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সে ক্ষেত্রে শপথ হতে পারে আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার। যেদিন তারা শপথ নেবেন, সেদিনই নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নিতে পারেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সূত্রে এতথ্য জানিয়েছে।
আপন দেশ/এমবি
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































