ছবি এআই
আজ ১৫ মে (শুক্রবার) বিশ্ব পরিবার দিবস। পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ, পারিবারিক বন্ধন ও পরিবারের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা এবং বাস্তবিক অর্থে পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়।
এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘পরিবার, বৈষম্য ও শিশু কল্যাণ’। এ প্রতিপাদ্যে বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের আলোকে পরিবার ও শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। থিমের মূল বার্তা হলো — আয়বৈষম্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল সুযোগের অসমতা শিশুদের ভবিষ্যৎ জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করছে, তা তুলে ধরা।
১৯৯৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ মে বিশ্ব পরিবার দিবস হিসেবে ঘোষিত হয়। জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালকে বিশ্ব পরিবার বর্ষ ঘোষণা করেছিল। ১৯৯৬ সাল থেকেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
মানুষ সামাজিক জীব, সামাজিক উপাদানগুলোর মধ্যে প্রথম ও প্রধান উপাদান হলো পরিবার। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার দৃঢ় বন্ধনের মাধ্যমে পরিবারে একজন মানুষ সমাজের সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করে থাকে। বিশ্বের প্রতিটি দেশ ও সংস্কৃতিতে পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবারকে বলা হয় সমাজ ও রাষ্ট্রের আয়না।
একটি আদর্শ পরিবারে অন্যতম কার্যাবলি হলো পরিবারের সকলে মিলেমিশে একত্রে বাস করা। এ কাজটাই একটি আদর্শ পরিবারে থাকে। বর্তমানে পারিবারিক বন্ধন ভেঙে যাচ্ছে বলেই আমাদের সামাজিক নানা সমস্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। বাড়ছে অস্থিরতা। ধর্মীয় বিধানেও রক্তের সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখার ওপর তাগিদ দেয়া হয়েছে।
পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু বিবেচনা করে পরিবারের সব সদস্যের সুখ ও সমৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা অপরিহার্য। তাই পরিবারের সবার সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিও সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরতে সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু বিবেচনা করে পরিবারের সব সদস্যের সুখ ও সমৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা অপরিহার্য। তাই পরিবারের সবার সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিও সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরতে সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালনের উদ্দেশ্য এবং বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে পরিবারের গুরুত্ব তুলে ধরতে সভা-সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যালি জাতীয় নানাবিধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































