Apan Desh | আপন দেশ

নির্বাচনী প্রচারণা চালালে প্রার্থিতা বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১০:০৬, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনী প্রচারণা চালালে প্রার্থিতা বাতিল

ফাইল ছবি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার সময় শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষণা অনুযায়ী, এখন কোনো প্রার্থী প্রচারণা চালালে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।

ইসির ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো প্রার্থী বা সমর্থক কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না। যদি কেউ এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেন, তবে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সব ধরণের জনসভা, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রচারণার শেষ দিনে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন। সোমবার রাতভর অনেক এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ চলেছে। বাজার, লঞ্চঘাট ও বাস টার্মিনালগুলোতে প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। অনেক প্রার্থী ফজরের নামাজের পর থেকেও শেষবারের মতো ভোট চেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এবার ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি থাকছে। ভোটার, প্রার্থী, এজেন্ট, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা কেন্দ্রে মোবাইল নিতে পারবেন। তবে গোপন কক্ষে বা ব্যালট স্ট্যাম্পিংয়ের স্থানে মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

এবারের নির্বাচনে সবমিলিয়ে দুই হাজারের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে আড়াইশ'র বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।

এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি'র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষের ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না। এ নিষেধাজ্ঞাও আজ, ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনী কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা বা ভোটার ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।

ইসি'র গৃহীত এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সব মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

আপন দেশ/এমবি

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়