ছবি: আপন দেশ
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও বিচারের সক্ষমতা এখন শেষ সীমায় পৌঁছেছে। এ মন্তব্য করেছেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, তাদের যতটুকু সংস্কার করার সুযোগ ছিল, যেটুকু সংস্কার করার জায়গা ছিল, যেটুকু বিচার করার জায়গা ছিল—ওনাদের দম ফুরিয়ে গেছে।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের যেটুকু সক্ষমতা, যেটুকু সম্ভাবনা, তা শেষ সীমায় চলে গেছে। এখন ওনারা যেটা করতে পারেন, তা হলো একটা ভালো নির্বাচন।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নির্বাচনী অংশগ্রহণের পেছনে বিদ্যমান বাধাগুলো চিহ্নিত করতে একটি জরিপ করে সিজিএস। অনুষ্ঠানে জরিপের ফলাফল তুলে ধরা হয়।
দেশের ৫০৫ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে চালানো এ জরিপের ফলাফল বলছে, ৫০ শতাংশের বেশি অংশগ্রহণকালে উদ্বিগ্ন, ২৫ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা নিজেকে অনিরাপদ বা চরম অনিরাপদ মনে করেন।
ফলাফল প্রকাশের পর আলোচনায় দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কথার সঙ্গে কাজের সম্পর্ক নেই। তিনি বললেন, ধর্মবর্ণ–নির্বিশেষে সবাই এক ছাতার নিচে থাকবে। কিন্তু ছাতা তো খুললই না। বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মনে করেন আসন্ন নির্বাচন যথেষ্ট অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়। তবে অংশগ্রহণমূলক করার সুযোগ এখনো আছে। তিনি বলেন, নারী হোক, অন্যান্য জনগোষ্ঠী হোক বা ভিন্নমতের রাজনীতির মানুষ হোক—নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, পিছিয়ে পড়া মানুষদের ভোটে আনা এবং ভোটের আগে–পরে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারকে নিতে হবে। তিনি মনে করেন, সরকারের সামনে ভালো কাজ করার শেষ সুযোগ এটি। এ সরকার যদি সর্বশেষ ভালো কাজটি যদি করে যেতে পারে, তাহলে ইতিহাসের পাতায় তাদের কিছুটা জায়গা পাওয়ার সুযোগ হলেও হতে পারে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার ও অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান।
আপন দেশ/এমবি
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































