Apan Desh | আপন দেশ

বজ্রপাত

ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৫ বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ ছাড়া সারা দেশে গরম বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি । রোববার (৩১ মে) সকালে আবহাওয়া পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।  এতে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

০৩:১৫ পিএম, ৩১ মে ২০২৬ রোববার

দেশের ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস

দেশের ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস

দেশের অভ্যন্তরীণ পাঁচ অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। সোমবার (১১ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

০৯:২৪ এএম, ১১ মে ২০২৬ সোমবার

৮ জেলায় বজ্রাঘাতে নিহত ১৩

৮ জেলায় বজ্রাঘাতে নিহত ১৩

সারাদেশে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রাঘাতে একদিনে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ৮ জেলায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে পটুয়াখালী জেলায়। এখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামে সকাল ৯টার দিকে গরু বাঁধতে গিয়ে বজ্রাঘাতে সৌরভ মজুমদার (২২) নিহত হন। কলাপাড়া উপজেলার তারিকাটা গ্রামে ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করার সময় মারা যান জহির উদ্দিন (২৮)। পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামে গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত হন সেতারা বেগম (৫৫)। শান্তিপুর গ্রামে মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ হারান খালেক হাওলাদার (৫৫)। জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গাইবান্ধা ইউনিয়নে সকাল ৬টার দিকে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মারা যান মো. শামীম মিয়া (৩৭)। সাপধরী ইউনিয়নের ইন্দুল্লামারী এলাকায় সড়ক নির্মাণকাজ চলার সময় বজ্রপাতে নিহত হন সাগর ইসলাম (১৮)।

১১:৩২ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

ঢাকাসহ আশেপাশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

ঢাকাসহ আশেপাশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

আগামী ৬ ঘণ্টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোথাও কোথাও বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে দমকা হাওয়ার আকারে এটি পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বৃদ্ধি পেতে পারে। সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৮ শতাংশ। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

০৮:৫৪ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

বজ্রপাতে সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু

বজ্রপাতে সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু

বজ্রপাতে সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে নেত্রকোণায় তিনজন, সুনামগঞ্জে তিনজন, হবিগঞ্জে দুইজন, নোয়াখালীতে একজন মারা গেছেন। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সুনামগঞ্জের হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে তিন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে জেলার পৃথক স্থানে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের বৈঠাখালী গ্রামের জমির হোসেন (৪২) এবং মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের জমির উদ্দিন (৪৬) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নিহত হন। একই সময় সদর উপজেলার হাওরের অন্য একটি স্থানে বজ্রপাতে জামালগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের আবু সালেহ (২২) নামের আরও এক কৃষকের মৃত্যু হয়। 

০৮:৪৪ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে যা করবেন

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে যা করবেন

এ দেশে মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বজ্রপাত হয়ে থাকে। এর মধ্যে এপ্রিল ও মে মাসে বজ্রপাত তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। পরিসংখ্যান বলছে ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বজ্রপাতে মারা গেছেন অন্তত ৬৩৫ জন। আর শুধুমাত্র ২০১৬ সালেই ১৪২ জনের জীবন নিয়েছিল বজ্রপাত। ঝড়বৃষ্টির সময় বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে নয়টি পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর: ১. পাকা বাড়ির নীচে আশ্রয় নিন। ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনও দালানের নীচে আশ্রয় নিতে পারেন। ২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকুন। উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এ সব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না। ফাঁকা জায়গায় কোনও যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

০২:৫৭ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement