ফাইল ছবি
রিগ্যাসিফাইড লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ কমে যাওয়ায় তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহে স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস বিতরণ কর্র্তৃপক্ষ। ঘাটতির কথা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস।
এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস বলছে এলএনজি (রূপান্তরিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে। ২২ জুন মধ্যরাত থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিতাসের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস।
অন্যদিকে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির (আরপিজিসিএল) চট্টগ্রাম কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সোমবার (২২ জুন) দুপুর ১২টায় গ্রিডে এলএনজি থেকে এক হাজার ৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। বিকেল ৪টায় যা ছিল এক হাজার ৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট। আগামী চার দিন তাদের গ্যাস সরবরাহের যে শিডিউল রয়েছে, সেখানে বলা আছে এক হাজার ২০ মিলিয়ন ঘনফুট করে সরবরাহ করা হবে।
আরও পড়ুন<<>>ঢাকায় ভূমিকম্প অনুভূত
বিষয়টি নিয়ে তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক প্রকৌ. কাজী মোহাম্মদ সাইদুল হাসান বলেন, আরপিজিসিএল থেকে দুপুরে চিঠি দিয়ে পেট্রোবাংলাকে জানানো হয়েছে, ২৫ জুন পর্যন্ত তারা এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে না।
মঙ্গলবার এলএনজি নিয়ে একটি জাহাজ আসার কথা। সেটি সময়মতো না এলে এ সরবরাহ আরও কমতে পারে। তবে কতটা কমবে তা আরপিজিসিএল জানায়নি।
প্রতিদিন চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হয় দুই হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজি থেকে এক হাজার ৫০ থেকে এক হাজার ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































