Apan Desh | আপন দেশ

‘সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৮:২৪, ৩১ মে ২০২৬

আপডেট: ২১:৩৬, ৩১ মে ২০২৬

‘সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আপন দেশ

সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে জানিয়ে সকল নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৩১ মে) বিকেলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী এ আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকলের (নেতা-কর্মী-সমর্থক) উদ্দেশ্যে আমি বলব যে, প্রথমত আমাদের সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। আবার আমাদের সামনে একই সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অপক্ষা করছে। এ গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন সময়ে আমাদের দেশে হেসে-খেলে চলে গেলে খুব কম ক্ষতি হয়ে যাবে।

ক্ষতি কার হবে? ক্ষতি আপনার হয়ত হবে না, ক্ষতিটি হবে দেশের, ক্ষতিটি হবে আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের, যারা আপনারই উত্তরাধিকার। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে গঠন করতে চেয়েছিলেন, শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। আমরা সে ধারাই দেশকে পরিচালনার চেষ্টা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে ধীরে ধীরে প্রত্যেকটি সেক্টরকে সামনে এগিয়ে নিয়ে দেশকে স্বাবলম্বী করতে চেয়েছিলেন। আমাদের যে ম্যানিফেস্টোর পক্ষে ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ রায় দিয়েছে। সে ম্যানিফেস্টোর মধ্যে শহীদ জিয়ার প্রত্যেকটি পথ নির্দেশিকা আমরা গ্রহণ করেছি।

সরকার সরকারের কাজ করবেন। আপনিও সে দলেরই একজন, যে দলের সরকার, সে দলের আপনি একজন কর্মী। সরকার তখনই সফল হতে পারবে যখন এ দলের কর্মী হিসেবে আপনি সরকারের প্রত্যেকটি সঠিক কার্যক্রমকে সহযোগিতা করতে থাকবেন। সঠিকভাবে সঠিক কাজটিকে আপনি সহযোগিতা করতে থাকবেন। তখনই এ সরকারের পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব।

আমাদের সংসদে যে ২১৪ জন এমপি, আমিসহ ৫০ জন ক্যাবিনেট সদস্য আছেন শুধু আমরা পরিশ্রম করলেই কার্যক্রমগুলো সফল হবে না। আপনাদের সকলের সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমাদের যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, আইনজীবী ফোরাম, তাঁতী দল, শ্রমিক দল অর্থাৎ আমাদের মূল দলসহ প্রত্যেকটি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের গ্রাম, গঞ্জে, হাটে, বাজারে, উপজেলায়, পৌরসভায়, বিভাগীয় শহরে ১২ তারিখে  নির্বাচনের আগে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দলকে জিতিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ঠিক জিতিয়ে আনার পরেই কিন্তু কাজ শেষ হয়ে যায়নি। বরং আমাদের সে অক্লান্ত পরিশ্রম এখন আবারও কন্টিনিউ করতে হবে।

নির্বাচনের মাধ্যমে যেমন আমরা জয়ী হয়ে এসেছি, ঠিক একইভাবে আমাদের কাজগুলো, আমাদের লক্ষ্যগুলো সফল করার মাধ্যমে একটি সফল সরকার আমাদেরকে হতে হবে। একটি সফল সরকার হতে পারলেই হবে না। জনগণের দৃষ্টিতে আমাদেরকে সফল সরকার হতে হবে। জনগণের দৃষ্টিতে যদি সফল সরকার হতে হয় তাহলে শুধুমাত্র ২১৪ জন এমপি বা ৫০ ক্যাবিনেট মেম্বারের পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটে থাকা সকল নেতাকর্মী এ কর্মসূচিগুলোকে বাস্তবায়নের লক্ষে, এ কর্মসূচিগুলোকে সাকসেসফুল করার জন্য মাঠে ময়দানে গিয়ে কাজ করবেন তখনই শুধুমাত্র সফল হওয়া সম্ভব। 

আরও পড়ুন<<>>রামিসা হত্যার বিচার শুরু হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি রাজনৈতিক সরকার। অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দল যার, নীতি আছে, যার আদর্শ আছে, যার পরিকল্পনা বা ম্যানিফেস্টো আছে। যে পরিকল্পনা বা ম্যানিফেস্টো আমরা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরেছিলাম। মানুষ এ ম্যানিফেস্টো বা পরিকল্পনা দেখেছে, শুনেছে, বুঝেছে এবং ১২ তারিখে তারা তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। ধানের শীষকে দায়িত্ব দিয়েছেন সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য।

এ পরিকল্পনা ১২ তারিখ পর্যন্ত ছিল বিএনপির পরিকল্পনা। কিন্তু ১৩ তারিখ সকাল থেকে বাংলাদেশের মানুষের রায় যখন আমরা জানতে পারলাম, যখন বুঝা গেল বাংলাদেশের মানুষ দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে এ পরিকল্পনার পক্ষে, ম্যানিফেস্ট পক্ষে তখন বুঝা গেলো এ পরিকল্পনা আর  শুধুমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নয় বরং এ  পরিকল্পনাটি হচ্ছে ৫২ শতাংশ মানুষের। যারা ভোটে অংশগ্রহণ করেছিল, এটি তাদের ম্যানিফেস্টো। রাজনৈতিক দলের সরকার হিসেবে এটি আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে।

নির্বাচনি ইশতেহারে শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি রয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এখানে আলোচনা করতে গিয়ে আমরা শুনেছি কিভাবে শহীদ জিয়া শিক্ষার প্রসার ঘটেছিলেন, শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন, শিক্ষিত করতে চেয়েছিলেন জাতিকে। ঠিক তারই রিফ্লেকশন শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয় আমাদের ম্যানিফেস্টোর মধ্যে আছে। এখানে বক্তারা আলোচনা করেছেন গার্মেন্ট শিল্প নিয়ে। যে গার্মেন্ট শিল্পকে নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি, যে গার্মেন্ট শিল্প আমাদের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সাহায্য করছে, যে গার্মেন্ট শিল্পে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল শহীদ জিয়ার সময়। ঠিক একইভাবে অর্থাৎ শিল্পের বিপ্লব আমরা রেখেছি আমাদের এ ম্যানিফেস্টোর মধ্যে।

অর্থাৎ আমাদের দেশে কিভাবে আবারও শিল্পের প্রসার ঘটানো যায়, কিভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, কিভাবে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে পারি, বন্ধ কল কারখানাগুলো চালু করতে পারি। ঠিক একইভাবে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি কিভাবে নতুন নতুন ডাইভার্সিফিকেশন, কি কি ইন্ডাস্ট্রি আমরা এদেশে গড়ে তুলতে পারি। সে পরিকল্পনাগুলোকে আমরা আমাদের ম্যানিফেস্টোর মধ্যে রেখেছি।

সকলের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা হয়তো বলতে পারেন, আমি তো এমপি না, মন্ত্রী না বা আমি সরকারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত না। আমি কিভাবে কাজে সহযোগিতা করব? আপনি এমপি নন, আপনি মন্ত্রী নন। আপনি হয়তো উপজেলা চেয়ারম্যানও নন, আপনি হয়ত ইউনিয়ন পরিষদেরও চেয়ারম্যান নন বা মেম্বারও আপনি নন। আপনি কিভাবে কাজটি করবেন?

আপনার যে সংগঠন আছে ,আপনার যে রাজনৈতিক কার্যক্রম আছে, সাংগঠনিক কার্যক্রম আছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা আছে এ বিষয়গুলোকে আপনি সঠিক রাখার মাধ্যমে অর্থাৎ আপনি একজন পলিটিক্যাল অ্যাক্টিভিস্ট। কাজেই পলিটিক্যাল অ্যাক্টিভিস্ট হলে আপনি পলিটিক্স করার মাধ্যমেই দলকে সঠিক রাখবেন। দলকে সঠিক রাখার মাধ্যমেই আপনি সরকারকে সহযোগিতা করতে সক্ষম হবেন।

দলের প্রতিষ্ঠাতার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, আজকে আমরা শপথ গ্রহণ করতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমরা ২৪ সালে ৫ আগস্ট জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটা সফল আন্দোলন করেছিলাম। ২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একটি সফল নির্বাচনে পার হয়ে এসেছি। আলহামদুলিল্লাহ। 

আসুন আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করি, যে ম্যানিফেস্টোর পক্ষে বাংলাদেশের মানুষ রায় দিয়েছে, সে ম্যানিফেস্টোকে বাস্তবায়ন করি। এর মাধ্যমে আমরা যাতে সফল সরকারের কার্যক্রম শেষ করতে পারি। তাহলেই আমরা একমাত্র ৩০ মে শহীদ জিয়ার প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করতে সক্ষম হব বলে আমি বিশ্বাস করি।

বাবা জিয়াউর রহমানের স্মৃতি চারণ করে একটি ঘটনা তুলে ধরে সে সময়ের সামাজিক ও পারিবারিক শিক্ষার বিষয়টি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।  তিনি বলেন, ১৭ বছর পর দেশে ফিরে আমি মহাসচিব (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) সাহেবেসহ আরও কয়েকজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে মাঝে-মধ্যে কথা প্রসঙ্গে আলাপ করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে আমরা ছোটবেলায় যে পারিবারিক বা সামাজিক শিক্ষাটা পেয়েছিলাম, দেশে ফিরে আসার পর কোথায় যেন একটা অভাব মনে হয়েছে। এরকম একটা বিষয়ের মনে হয় কোথাও একটা অভাব আছে।

আমি মনে করি যে, এ বিষয়টিকে বোধহয় আমাদের নজর দেয়া উচিত। সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর আমি আমাদের তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়োজিত যারা আছেন তাদের সঙ্গে বসেছিলাম। আমার যে এক্সপেরিয়েন্সটি আমি তাদের কাছে বলেছি। মূল্যবোধের যে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, এ ব্যাপারে তারা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিভাবে কাজ করতে পারে। অর্থাৎ আমাদের সমাজের সামাজিক মূল্যবোধ, পারিবারিক মূল্যবোধ, আমাদের ধরণীয় মূল্যবোধ, ছোট ছোট বিষয় মুরুব্বিদেরকে শ্রদ্ধা করা, অসহায়দের সহযোগিতা করা, মানুষের সঙ্গে বিনয়ীভাবে কথা বলা এরকম আরও যে মূল্যবোধ আছে এ বিষয়গুলো আমরা শিশুদের মধ্যে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যারা আছে তাদের মধ্যে আবার কিভাবে নিয়ে যাওয়া যায়। এ বিষয়ে আমি আলোচনা করেছিলাম, এ বিষয়ে আমরা চেষ্টা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমার দ্বিতীয় এক্সপেরিয়েন্সটি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। ঘটনাটি ১৯৮৬ সালের আব্বা মারা যাওয়ার প্রায় ছয় বছর সাড়ে পাঁচ বছর পরের ঘটনা। আমি প্রথমবার আম্মার সঙ্গে ওমরা করতে গিয়েছি। আমরা সৌদি গভর্নমেন্টের দাওয়াতেই গিয়েছিলাম। মক্কা হোটেল নামে একটা হোটেল ছিলাম। ওখানেই সৌদি সরকার মোটামুটিভাবে গেস্টদেরকে রাখতেন।

মাগরিবের নামাজ শেষ করে এশার নামাজের জন্য যাব। তো আমি হোটেল রুমে এসেছি রিফ্রেশ হওয়ার জন্য। আমি লিফটের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পাশে এসে আরেকটি লোক দাঁড়ালো। লোকটিকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে উনি ইন্দোনেশিয়ান, মালয়েশিয়ান হলেও হতে পারে তবে মোটামুটিভাবে বলা যায় ইন্দোনেশিয়ান। আমাকে বলল, কোন দেশ? দুই সেকেন্ডের মধ্যে সে আমাকে বলল, ও বাংলাদেশ। সঙ্গে সঙ্গে বলল, ও জিয়াউর রহমান। আমার নিজের সঙ্গে এ ঘটনাটা ঘটলো। ও বলল যে, জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান বলতেই তারা বাংলাদেশ বুঝত। মুসলমান দেশগুলো জিয়াউর রহমান বুঝতো। এটাও ছিল সন্তান হিসেবে আমার আরেকটি এক্সপেরিয়েন্স যেখানে সন্তান হিসেবে পিতার জন্য আমি গর্ব অনুভব করেছি।

তিনি বলেন, এ কথাটা দিয়ে আমি সংক্ষেপে বোঝাতে চাচ্ছি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিল‘বটমলেস বাসকেট’।  মাত্র কিছুদিনের মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারের এমন জায়গা নিয়ে গিয়েছিলেন যে, মানুষ শহীদ জিয়া ও বাংলাদেশ এ দুইটিকে একসঙ্গে বুঝতো।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহায়ক আমিনুল হক, মহানগর দক্ষিনের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানি, যুব দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মনি, ছাত্র দলের রাকিবুল ইসলাম রাকিব বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দলের প্রতিষ্ঠাতার স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

এইচএসসি দিতে না পারা পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের আহবান শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন ভারতে সরকার পতনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী চুপ্পুর বিরুদ্ধে শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্তের নির্দেশ আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা ককরোচ জনতা পার্টির নরেন্দ মোদীর নতিস্বীকার, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ধামরাইয়ে চার গাড়ির সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই শিক্ষার্থীর সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে: আইনমন্ত্রী শাপলা চত্বর হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু ২৭ জুলাই : চিফ প্রসিকিউটর রেল ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে রাভনীত সিংয়ের পদত্যাগ বিট্টু আলোচনায় আন্তরিকতা দেখাচ্ছে ইরান, দাবি ট্রাম্পের