Apan Desh | আপন দেশ

সাড়ে ৩ বছর পর কারামুক্ত বাবুল আক্তার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮:৩৮, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

সাড়ে ৩ বছর পর কারামুক্ত বাবুল আক্তার

ছবি: সংগৃহীত

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় প্রায় ৩ বছর সাত মাস পর কারামুক্ত হলেন সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে গাড়িতে করে বের হন তিনি। 

এর আগে, মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখে রায় দেন চেম্বার আদালত।

প্রায় তিন বছর সাত মাস কারাগারে থাকার পর গত বুধবার হাইকোর্ট থেকে জামিন পান সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার। পরে তার জামিন বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।

গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন এসপি বাবুল আক্তার। পরে ১৮ আগস্ট বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সে সময়কার চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতুকে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এসপি বাবুল আক্তার ওই ঘটনার কিছুদিন আগেই চট্টগ্রাম থেকে বদলি হন। তিনি ঢাকায় কর্মস্থলে যোগ দিতে যাওয়ার পরপরই চট্টগ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার পর টানা সাড়ে তিন বছর তদন্ত করেও ডিবি পুলিশ কোনো কূলকিনারা করতে না পারার পর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এরপর ২০২১ সালের মে মাসে পিবিআই জানায়, স্ত্রী মিতুকে হত্যা করা হয়েছিল বাবুল আক্তারের ‘পরিকল্পনায়’। আর এজন্য খুনিদের ‘লোক মারফত তিন লাখ টাকাও দিয়েছিলেন’ বাবুল।

পরে বাবুলের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয় এবং মিতুর বাবা আরেকটি মামলা করেন। তবে মিতুর বাবার করা সেই মামলা আদালতে না টেকার পর বাবুলের মামলাটিই আবার পুনরুজ্জীবিত হয়। ২০২১ সালের মে মাসে পিবিআই এর হাতে গ্রেফতার হন বাবুল।

২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সেই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। তাতে বাবুলসহ সাতজনকে আসামি করা হয়। এরপর ওই বছরের ১০ অক্টোবর সেই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত।

গত বছরের ৯ এপ্রিল মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেনের সাক্ষ্যের মধ্যে দিয়ে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলাটি বর্তমানে চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জসিম উদ্দিনের আদালতে বিচারাধীন। মামলার ৯৭ জন সাক্ষীর মধ্যে মিতুর মা শাহেদা মোশাররফসহ মোট ৫২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

বাবুল আক্তার গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন। বিচারক তা নাকচ করে দিলে তার আইনজীবীরা হাইকোর্টে যান।

আপন দেশ/এসএমএস

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

হরমুজ নয়, হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকা দিয়ে দেশে জ্বালানি আসছে শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াবে সরকার: অর্থমন্ত্রী পেট্রোল পাম্পে ইউএনও’র ওপর হামলা উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু মেধাভিত্তিক দক্ষ জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস আজ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের দেহের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামাবাদে, আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন অবৈধ হজযাত্রীদের আশ্রয় দিলে ১ লাখ রিয়াল জরিমানা