ছবি: আপন দেশ
কোম্পানি আইন-১৯৯৪-এর প্রস্তাবিত সংশোধনীতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিজস্ব শেয়ার কেনার (শেয়ার বাইব্যাক) সুযোগ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
একই সঙ্গে বার্ষিক প্রতিবেদন ডিজিটাল করার সুযোগ, কোম্পানি একীভূতকরণ ও পুনর্গঠনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতামত নেয়া এবং প্রসপেক্টাসে আর্থিক বিবরণী ব্যবহারের সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এফবিসিসিআই বোর্ড রুমে কোম্পানি আইন-১৯৯৪-এর খসড়া সংশোধনী নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরে বিএসইসি।
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) সভাটির আয়োজন করে।
সভায় বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম বলেন, বর্তমান আইনের ৫৮ ধারায় কোম্পানির নিজস্ব শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে নির্দিষ্ট শর্তে নিজস্ব শেয়ার কেনার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। এতে কোম্পানির মূলধন ব্যবস্থাপনা ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সুরক্ষায় নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন : রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
তিনি আরও বলেন, তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির একীভূতকরণ, অধিগ্রহণ, ডিমার্জার ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে যুক্ত করা প্রয়োজন। কারণ এসব সিদ্ধান্তে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ জড়িত থাকে।
এছাড়া কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রকাশের সুযোগ এবং আইনের পরিভাষা আধুনিক করার প্রস্তাব দেয়া হয়।
প্রসপেক্টাসে আর্থিক বিবরণী ব্যবহারের বর্তমান ১৮০ দিনের সময়সীমা বাড়িয়ে ২৭০ দিন করার প্রস্তাবও দিয়েছে বিএসইসি। সংস্থাটির মতে, নিরীক্ষা, আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সময় লাগায় ১৮০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করা অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ে।
সভায় এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বার্ষিক আয় ৫০ কোটি টাকার বেশি এমন কোম্পানিতে কোম্পানি সচিব নিয়োগ এবং এজিএমের নোটিশের পর ন্যূনতম ২১ দিন সময় রাখার প্রস্তাব করা হয়। পরে কয়েকজন ব্যবসায়ী এ সময় ১৪ দিন করার পক্ষে মত দেন।
আপনদেশ/মিম
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































