ফাইল ছবি, আপন দেশ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে শান্তা রানী দাস (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা নয়, স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের নাথ পাড়ার গণেশের বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ফাজিলের ঘাট এলাকার জেলে বাড়ির বাসিন্দা ও নিহতের বাবা অনন্ত জলদাস জানান, চার বছর আগে পারিবারিক ভাবে শান্তার সঙ্গে সুবর্ণচর উপজেলার পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের নাথ পাড়ার গণেশের বাড়ির নিমাই দেব নাথের ছেলে বাপ্পী দেব নাথের (২৯) বিয়ে হয়। তাদের ১৮ মাস বয়সী বর্ষা দেব নাথ নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।
আরও পড়ুন<<>>বিএনপি-ছাত্রদল-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা জারি
বাপ্পী আগে চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। সেখানে গার্মেন্টসের এক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চাকরি ছেড়ে এলেও ওই নারীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। এ নিয়ে সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয় এবং বাপ্পী শান্তাকে মারধর করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঝগড়ার পরে রাতে শান্তা স্বামীর জেঠা গণেশের ঘরে আশ্রয় নেন। মঙ্গলবার সকালে সেখান থেকে তাকে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে বেলা ১১টায় বাপ্পী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বাপ্পী দেব নাথের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
চরজব্বর থানার (ওসি রফিকুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। বুধবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































