Apan Desh | আপন দেশ

কুড়িগ্রামে কোরবানির প্রতিটি হাটে বসেছে মেডিক্যাল টিম

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৭:০৭, ২৫ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামে কোরবানির প্রতিটি হাটে বসেছে মেডিক্যাল টিম

ছবি: আপন দেশ

ঈদুর আজহাকে কেন্দ্র করে জমে ওঠেছে কুড়িগ্রামের প্রতিটি পশুর হাট। এ বছর জেলায় প্রস্তুত রয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৯১৯টি কোরবানিযোগ্য পশু। অতিরিক্ত গরমে এসব পশু যাতে অসুস্থ হয়ে না পড়ে সেজন্য জন্য সতর্ক রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। ছোট বড় সব ধরনের খামারিদের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম বসানো হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর কুড়িগ্রাম জেলায় ঈদুল আজহায় বিক্রির জন্য ছোট বড় মিলে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৯১৯টি গবাদি পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বাজার মূল্য ঠিক থাকলে এবারও লাভের আশা করছেন তারা।

প্রাণিসম্পদ অধিদতফর জানায়, খামারিরা প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। পশুর খাদ্য হিসেবে রয়েছে কাঁচা ঘাস, ভুট্টা, খৈল, গমের ভুসি, ধানের কুঁড়া ও খড়। খামারে পশুর জন্য নিয়মিত গোসল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।  

এবছর খামারগুলোতে দেশীয় গরুর পাশাপাশি শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান, ব্রাহামা প্রজাতির গরুকে প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে। খামারে গরুকে যেন ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে মোটাতাজা না করা হয়, সে বিষয়ে মাঠে রয়েছে প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের একাধিক টিম। 

আরও পড়ুন<<>>জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা, যৌথ বাহিনীর অভিযান

চলতি বছর কুড়িগ্রাম জেলার ৯ উপজেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা রয়েছে ২ লাখ ৯৩ হাজার এবং এ চাহিদা মিটিয়ে বাকি পশু ঢাকাসহ সারা দেশে সরবরাহ ও বিক্রি হবে। এতে ছোট বড় খামারিসহ প্রান্তিক কৃষকেরা লাভবান হওয়ার আশা করছেন। এছাড়া এবার ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জেলায় স্থায়ী ১৫টি কোরবানি পশুর হাট বসেছে। পাশাপাশি অস্থায়ী হাট রাখা হয়েছে ১৪টি। এসব হাট চলাকালীন সময় সার্বক্ষণিক হাটে আসা অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত পশু নির্ণয়ে কাজ করছে প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম।

যাত্রাপুর হাটে গরু বিক্রি করতে আসা খামারী আজিজার মোল্লা বলেন, ইতোমধ্যেই হাটের বেচাকেনা জমে উঠেছে।  ব্যাপারী ও কোরবানিদাতারা গরু ও ছাগল দেখে দরদাম শুরু করেছেন। হাটের ভোগান্তি কমাতে অনেকেই তাদের পছন্দমত খামার থেকেই পশু ক্রয় করছেন। গবাদি পশুর সুস্থতায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিমও। 

ঘোগাদহের খামারীরা মাইদুল ইসলাম বলেন, সন্তানের মতো করে গরুগুলোকে বড় করেছি। কোনো ওষুধ ছাড়াই শুধু ঘাস, ভুট্টা, খৈল আর কুঁড়া খাইয়েছি। গবাদি পশুর যেকোন রোগ বালাইয়ে প্রাণী সম্পদ চিকিৎসকের সহযোগিতা পাই। 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, খামারিদের নিয়মিত পরামর্শের পাশাপাশি কোরবানির হাটে সুস্থ ও নিরাপদ পশু নিশ্চিত করতে জেলার ৯টি উপজেলার প্রতিটি হাটে মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। এছাড়া খামারের পশুকে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করতেও সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি গবাদি পশুর যে কোন রোগ বালাইয়ে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি কমনওয়েলথ কনফারেন্সে আফ্রিকা যাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার হজ কার্যক্রমে অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি মিয়ানমার বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, সব ফ্লাইট বাতিল র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি, সংসদে বিল পাশ ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী অপরিশোধিত তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়াল বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ জন জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, একাধিক যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক অনিয়ম-শিক্ষাসনদ জালিয়াতির অভিযোগ: ডব্লিউএইচও ছাড়লেন সায়মা ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে দফায় দফায় বিস্ফোরণ
City Touch