ছবি: আপন দেশ
সবুজ লতাপাতার ফাঁকে ফুটে থাকা সাদা-হলুদাভ ফুল, যা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে মিষ্টি সুবাস। প্রকৃতির এমনই এক স্নিগ্ধ সৌন্দর্যের নাম মাধবীলতা। গ্রামবাংলার বাড়ির আঙিনা, বাগান কিংবা গাছের ডালে জড়িয়ে থাকা এই লতা ফুলপ্রেমীদের কাছে বেশ পরিচিত নাম। এটি চিরসবুজ, কাঠজাতীয় লতানো উদ্ভিদ। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এর বিস্তৃতি রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের চিরসবুজ বনাঞ্চলেও এ উদ্ভিদ খুব বেশী পাওয়া যায়।
সরেজমিনে উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের সোমখালী এলাকার বাদল রোজারিও এর বাড়িতে দেখা মিলেছে মাধবীলতার ফুলের বাহার। বাড়িতে প্রবেশ করতেই বিশাল এক মাধবীলতার গাছ। সাদা রঙের ফুলের মাঝখানে হলুদাভ আভা। ছোট ছোট ফুল গুচ্ছাকারে ফুটে আছে। ফুলগুলো বেশ সুগন্ধযুক্ত হওয়ায় ফুটন্ত মাধবীলতার আশপাশে এক ধরনের মিষ্টি সুবাস ছড়িয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন<<>>ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
বাগান প্রেমী হীরা রোজারিও বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ লাগিয়ে বাড়ির আঙিনার চারপাশের পরিবেশকে করেছে শোভনীয়। তিনি বলেন, লতানো স্বভাবের কারণে মাধবীলতা সহজেই আশপাশের গাছ, খুঁটি কিংবা কোনো অবলম্বনকে আঁকড়ে ওপরে উঠে যায়। এর সবুজ পাতা ও গুচ্ছ গুচ্ছ ফুল একসঙ্গে মিলে তৈরি করে দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য।
দেশী ফুল ও লতানো গাছ প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তোলে। বাড়ির আঙিনা, বাগান কিংবা খালি জায়গায় মাধবীলতার মতো দেশি লতানো ফুলগাছ লাগালে একদিকে যেমন পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়ে, অন্যদিকে হারিয়ে যাওয়া উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখে। মাধবীলতার শুভ্র ফুল আর মিষ্টি সুবাস শুধু সৌন্দর্যের বার্তাই দেয় না, প্রকৃতির প্রতি মানুষের ভালোবাসার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































