ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। যার ফলে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে তিনি দু-এক দিনের মধ্যেই পদত্যাগ করতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির সিনিয়র তিন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।
রাজনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আবদুল মঈন খানের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে।
এছাড়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করা এক সিনিয়র সচিবের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
সূত্র জানায়, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে কাকে দায়িত্ব দেয়া হবে, তা নিয়ে সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
আরও পড়ুন <<>> বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ যুক্তরাষ্ট্রের
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেপ্টেম্বরে সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলোচনা রয়েছে।
দলীয় সূত্রগুলোর মতে, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির কোনো নেতাকে মনোনয়ন দেয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ।
অন্যদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে দলের বাইরের গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে এ পদে মনোনয়ন দেয়ার।
তবে দলের একাধিক নেতা মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে দলীয় নেতৃত্বের অভিজ্ঞ কাউকেই দায়িত্ব দেয়া উচিত।
এদিকে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্রের ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি পদে যেসব নাম আলোচনায় আসছে, সেগুলো মূলত অনুমাননির্ভর। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কেউ কিছু জানেন না বলে ওই সূত্র দাবি করেছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































