বাগেরহাট: বাগেরহাটে ফিরোজা বেগম নামে এক নারীকে হত্যার পর শৌচাগারে মরদেহ গুমের ঘটনায় স্বামী মোহাম্মাদ আলী হোসেনের (৩৭) নামে মামলা হয়েছে। রোববার (৬ আগস্ট) সকালে ওই নারীর মেয়ে পূর্ণিমা বেগম বাদী হয়ে আলী হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে বাগেরহাট মডেল থানায় এই মামলা করেন। আলী হোসেনকে গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ফিরোজা বেগমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। হত্যার শিকার ওই গৃহবধূর মেয়ে পূর্ণিমা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামি আলী হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে শনিবার (৫ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার দেওয়ানবাটি এলাকায় নিজ বাড়ির শৌচাগার থেকে গৃহবধূ ফিরোজা বেগমের (৩৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুপুর দেড়টায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে ফিরোজার স্বামী মোহাম্মাদ আলী হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা। পারিবারের দাবি পরিকল্পিতভাবে গত ৩০ আগস্ট রাতে ফিরোজাকে হত্যা করে শৌচাগারের মধ্যে গুম করেছিলেন স্বামী আলী হোসেন। পরে ৩ আগস্ট স্ত্রীকে নিখোঁজ দাবি করে বাগেরহাট মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন মোহাম্মাদ আলী হোসেন।
নিহত ফিরোজা বেগম বাগেরহাট সদর উপজেলার দেওয়ানবাটি গ্রামের গফুর মোল্লা ওরফে ছুইটের মেয়ে। বছর দেড়েক আগে মাত্র দুই দিনের পরিচয় সূত্রে শহরের নাগেরবাজার এলাকায় আজিজ মোল্লার ছেলে মোহাম্মাদ আলী হোসেনকে বিয়ে করেন স্বামী পরিত্যক্তাি এই নারী।
আপন দেশ/এমএমজেড
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































