Apan Desh | আপন দেশ

হামের টিকা ইস্যুতে দায়ীদের জবাব দিতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ১৬:৪০, ৫ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৬:৪০, ৫ নভেম্বর ২০২৬

হামের টিকা ইস্যুতে দায়ীদের জবাব দিতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: আপন দেশ

হামের টিকা ইস্যুতে প্রশাসনিক অবহেলা ও দায়িত্বহীনতায়  দায়ীদের চিহ্নিত করে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

প্রতিমন্ত্রী স্পস্ট করে বলেন, বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি কেন বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং জরুরি টিকা কেন আমদানি করা হয়নি তা খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি জানান, এর পেছনে চরম প্রশাসনিক অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা জড়িত। দায়ীদের চিহ্নিত করে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই ইতিমধ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) দুপুরে শাহবাগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

আরও পড়ুন<<>>খানজাহান আলীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় আমরা দেশে হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাব দেখতে পাই।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৪ সালের শেষ বা ২০২৫ সালের শুরুতে যে জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল, তৎকালীন সরকার তা পরিচালনা করেনি। এমনকি মন্ত্রণালয়ে আপৎকালীন কোনো মজুতও (স্টক) রাখা হয়নি।

মন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কারা এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং কেন প্রয়োজনীয় টিকা আমদানি করা হলো না, তা দেশবাসীর জানা জরুরি। আমরা কোনো দোষারোপের রাজনীতি করতে চাই না। তবে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে কোনো শিশুর জীবন যেন অকালে ঝরে না যায়, সেজন্যই একজন বিচারক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে।

টিকা সংকট উত্তরণের বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, দায়িত্ব নেয়ার পরপরই সরকার জরুরী ভিত্তিতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ করেছে। মাত্র এক থেকে দুই মাসের ব্যবধানে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশে তরুণদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ বলেন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান ও শরীরচর্চার অভাবে কম বয়সেই বহু মানুষ হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছেন। যা একক ব্যক্তির চেয়ে পুরো পরিবারের ওপর বিপর্যয় ডেকে আনছে।

তিনি আরও বলেন, দূরদূরান্তের হৃদরোগীরা যেন নিজ বাড়িতে বসেই সাশ্রয়ী পুনর্বাসন ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে পাঁচ বছর মেয়াদি অ্যাক্রস-বিডি গবেষণা প্রকল্প শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের আটজন তরুণ চিকিৎসক ও গবেষক আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়