ছবি: সংগৃহীত
সূর্য প্রতিদিনই ওঠে নতুন করে। তবে বৃহস্পতিবারের (০১ জানুয়ারি) সূর্যটা উঠল একটু অন্য রকম দ্যুতি নিয়ে? সময়ের গর্ভে বিলীন হলো আরও একটি বছর। ক্যালেন্ডারের পাতায় শুরু হলো নতুন বছরের গণনা। নতুন প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু হলো ২০২৬। জানুয়ারির আগমন মানেই হৃদয়ে নতুন স্বপ্নের দোলা, তারুণ্যের উদ্দীপনায় ভরা এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। অতীতের গ্লানি ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এ সময়, তরুণদের মাঝে সবচেয়ে বড় প্রেরণা হয়ে ওঠে দেশের প্রতি ভালোবাসা। দেশমাতৃকার প্রতি নতুনভাবে ভাবা, নতুনভাবে গড়া এবং সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষাই নতুন বছরের প্রত্যয়।
বাংলাদেশের জন্য বিদায়ি ও নতুন—দুটি বছরই গুরুত্বপূর্ণ। বছরটি শেষ হয়েছে দেশজুড়ে শোকের আবহে। বছরের শেষ প্রান্তে দেশ হারিয়েছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। তার আগে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি শাহাদাতবরণ করেন। এ ছাড়া দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাকে নজিরবিহীন নিরাপত্তায় ও ভালোবাসার জনসমুদ্রে বরণ করে নেয়া হয়।
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুসারে গত বছর রাষ্ট্রের সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল সরগরম। তবে প্রত্যাশিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে সংশয়-সন্দেহের অবসান ঘটিয়ে গত ৫ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা দেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।’ সে অনুসারে নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে সংবিধানসংশ্লিষ্ট সংস্কারে গণমত যাচাইয়ের গণভোট।
জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই জাতীয় সনদ : ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির দিন গত ৫ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। ১৭ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হয় ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’।
গত ১৩ নভেম্বর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই সংবিধান সংস্কার নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, চারটি প্রস্তাবে ব্যালট পেপারে এ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোট দিতে হবে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ চিহ্নে। ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিতদের নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হবে।
বছরজুড়ে আলোচনায় খালেদা জিয়া : গত ৭ জানুয়ারি রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন এবং চার মাস পর গত ৬ মে দুই পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফেরেন। তাকে বিদায় ও অভ্যর্থনা জানাতে ব্যাপক জনসমাগমে তার প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ ঘটে। ২১ নভেম্বর অসুস্থ অবস্থায় সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়ার উপস্থিতিও দিনটির অন্যতম আলোচনার বিষয় ছিল।
২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক—এ সংবাদ প্রচারিত হলে সারা দেশে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তার সুস্বাস্থ্য দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ২ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করে। ৩০ ডিসেম্বর সকালে দেশবাসীর কাছে তার মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছে যায়। বছরের শেষ দিন নজিরবিহীন জনসমুদ্র তাকে শেষবিদায় জানায়। পরিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন হয়।
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড : গত ১৭ নভেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক কোনো সরকারপ্রধানকে সাজা দেয়ার নজির সৃষ্টি হয়। এ ছড়া গত ১ ডিসেম্বর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের করা মামলায় শেখ হাসিনাকে পাঁচ বছর, তার বোন শেখ রেহানাকে সাত বছর এবং রেহানার মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এ ছাড়া শেখ রেহানার নামে বরাদ্দকৃত ১০ কাঠা প্লট বাতিলে রাজউককে নির্দেশ দেয়া হয়। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি মামলা চলমান।
ভূমিকম্প আতঙ্ক : বিদায়ি বছরের ২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে দেশের রাজধানী ঢাকার সন্নিকটে ৫.৪ প্রাবল্যের (রিখটার মাপনীতে ৫.৫ মাত্রার) একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভারতীয় ভূত্বকীয় (ভূ-গাঠনিক) পাতের অভ্যন্তরে স্বল্প গভীরতায় একটি বিলোম চ্যুতির কারণে এ ভূমিকম্প ঘটে এবং পরবর্তী এক সপ্তাহে দেশে সাতটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর মধ্যে দেশের ভেতরই পাঁচবার ভূমিকম্পের উৎপত্তি ছিল। চারটিরই উৎপত্তিস্থল নরসিংদী। ২১ নভেম্বরের মুল ভূমিকম্পের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনায় ফাটল ধরার পাশাপাশি ভবন ও দেয়াল ধসে ১০ জনের মৃত্যু হয় । এটি ছিল বিগত দুই দশকের মধ্যে সংঘটিত সবচেয়ে মারাত্মক ভূমিকম্প।
আরও পড়ুন<<>>ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা দেখল বাংলাদেশ
পররাষ্ট্রনীতি : পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ২০২৫ সালেও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বেশ জটিল ছিল। বাংলাদেশ তার বৃহত্তম প্রতিবেশীর সঙ্গে একটি কার্যকর ও সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করলেও কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় মাঝেমধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বছরের শুরুতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচারণার কেন্দ্রে ছিল চীন। উচ্চ পর্যায়ের সফরগুলো বেইজিংকে ঢাকার অন্যতম ঘনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে। উভয় পক্ষই একটি ‘ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারি’র প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। এ বছরটি বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী হিসেবেও উদযাপিত হয়, যা বাণিজ্য, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় সহযোগিতার নতুন অঙ্গীকারে বিশেষ গুরুত্ব যোগ করে। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চলতি বছরে পরিমিত উষ্ণতা দেখা গেছে।
কর্মসংস্থান ও আর্থিক খাত : দেশে কর্মসংস্থান ও আর্থিক খাত ছিল নেতিবাচক। উচ্চ মূল্যস্ফীতির অভিঘাত চলমান ছিল। জ্বালানির সংকট, শ্রমিক অসন্তোষ আস্থাহীনতায় স্থবির ছিল বিনিয়োগ। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি তলানিতে নেমে আসে। এনবিআর ভেঙে ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ করার উদ্যোগে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন সংস্থাটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। শুরু হয় আন্দোলন। কর্মবিরতিতে থেমে যায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম। ব্যবসায়ীদের মধ্যস্থতা ও সরকারের কঠোর অবস্থানে থামে আন্দোলন।
মব সন্ত্রাস : ২০২৫ সালজুড়ে ‘মব সন্ত্রাস’ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পায়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, কোনো ধরনের প্রমাণ, তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সন্দেহ, গুজব সৃষ্টি করে মানুষকে মারধর ও হত্যা করা হয়। ‘তৌহিদি জনতা’র নামে বেআইনিভাবে মব তৈরি করে শিল্প-সংস্কৃতি কেন্দ্র ভাঙচুর, বাউল সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, এমনকি কবর থেকে তুলে লাশ পুড়িয়ে দেয়া, মিডিয়া হাউসে লুটপাট, অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটে। মুক্তিযোদ্ধাসহ বিরুদ্ধ মতের মানুষকে নানাভাবে হেনস্তা করা হয়।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ভারতে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বক্তৃতা প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা বুধবার রাতে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে ব্যাপক বিক্ষোভের এক পর্যায়ে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। রাত ১১টার দিকে একটি ক্রেন এবং পরে একটি এক্সকাভেটর এনে বাড়ি ভাঙা শুরু হয়। ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙা ছাড়াও একই রাতে ধানমণ্ডির ৫/এ-তে অবস্থিত শেখ হাসিনার বাড়ি সুধা সদনে আগুন দেওয়া হয়।
জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন : গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে প্রায় এক হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে। তাদের বেশির ভাগের মৃত্যু হয়েছে রাইফেল ও শটগানের গুলিতে। ওই সময় নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের নির্দেশেই বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। হাজার হাজার মানুষ গুরুতর আহত হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ ও র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ১১ হাজার ৭০০ জনকে তখন আটক করা হয়েছিল। যারা নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ শিশু। পুলিশ ও অন্য নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা শিশুরা টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছে ও পঙ্গু হয়েছে।
অন্যান্য ঘটনা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যালেনের ভূমিধস বিজয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ বেশ কয়েকটি নতুন দলের আত্মপ্রকাশ ও নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন লাভ গত বছরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসে। গত ২১ জুলাই রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হলে মর্মান্তিকভাবে ৩৬ জন নিহত হয়, এর মধ্যে ২৮ জনই ছিল শিক্ষার্থী।
বছরের শেষ প্রান্তে সুদানে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় হারিয়েছি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন শান্তিরক্ষীকে। বিদায়ি বছরে ২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতর পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হতাযজ্ঞের দিন ২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ছাড়া ওই ঘটনা তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন যে প্রতিবেদন প্রকাশ করে তাতে বলা হয়, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দলগতভাবে আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ ঘটনার মূল সমন্বয়কারী ছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল। এ ছাড়া এ ঘটনায় ভারতেরও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার পক্ষে অবস্থান নেয়া সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদায়ি বছরজুড়েই আলোচনায় ছিলেন। সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত থেকে সেনাবাহিনী তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের অবিচল আস্থা বজায় রাখে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































