Apan Desh | আপন দেশ

প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনার হস্তান্তর চাই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ১৬:৫২, ৫ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৭:৩০, ৫ নভেম্বর ২০২৬

প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনার হস্তান্তর চাই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ছবি: আপন দেশ

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা একজন পলাতক আসামি ও সন্ত্রাসী। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। সে চুক্তির আওতায় তাকে হস্তান্তর করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনা প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, শেখ হাসিনা পলাতক সন্ত্রাসী। এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াতে আসবে যে তাকে পাসপোর্ট দেব? পাসপোর্ট দিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে ভারতের অ্যাকটিভ এক্সট্রাডিশন ট্রিটি আছে। সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের ধরতে পাসপোর্ট লাগে না। তাদের হস্তান্তরের জন্য বিচারিক প্রক্রিয়া রয়েছে। অপরাধী বা সন্ত্রাসীকে পাসপোর্ট দেয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। 

আরও পড়ুন<<>>সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার মেগাওয়াট: জ্বালানি মন্ত্রী

শেখ হাসিনার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। তাকে কি সাধারণ ও বাণিজ্যিক ভ্রমণকারী হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব? আসেন, রংপুরে শ্বশুরবাড়ি বেড়াইয়া যান। তো এখানে হ্যান্ডওভার চাই আমরা।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের প্রত্যর্পণ চুক্তির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের হস্তান্তরের জন্য প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। আমরা সে প্রক্রিয়ায় তাকে হস্তান্তর চাই।

এদিকে চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডর নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের করিডর চালু হলে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। পণ্য ও মানুষের চলাচল সহজ হবে।

তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই এর ফলে অর্থনৈতিক যোগাযোগ ও মানুষের চলাচল বাড়বে। পণ্য পরিবহনও সহজ হবে। তবে এটি করার আগে রোহিঙ্গা ইস্যুটি গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আমরা আলোচনা করব এবং আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।

করিডর কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি উন্নয়নের করিডর হবে। এখানে সংখ্যা থাকবে কেন? সবাই এর সুফলভোগী হবে।
আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়